শিরোনামহীন কবিতা
একদল শামুকখোল পাখি, ভেবেছিলো, বাকি জীবনটা এভাবেই নিশ্চিন্তে কাটিয়ে দেবে, এই নীরব, নিঝুম গাঁয়ে। ছিলোতো,সম্পূর্ণ
একদল শামুকখোল পাখি, ভেবেছিলো, বাকি জীবনটা এভাবেই নিশ্চিন্তে কাটিয়ে দেবে, এই নীরব, নিঝুম গাঁয়ে। ছিলোতো,সম্পূর্ণ
কি ভাবিয়া গাহিয়া উঠিলাম নিকষে বাঁধা করুণ গীতি, স্তব্ধিয়া চাহি নিলিমার পানে দৃশ্যত হয় বরুণসম্পূর্ণ
আকারে-প্রকারে বৃহৎ হইলেই কি গুণগত মান বাড়ে? বিশুদ্ধতা প্রস্ফুটিত হইলেই তবে, সকলের মন কাড়ে। যুগেসম্পূর্ণ
চাঁদের আশায় প্রদীপ নিভায়ে বসে আছি নিরালায়, রূপালী চাঁদ উঁকি দিয়ে যায় খোলা মোর জানালায়।সম্পূর্ণ
লম্ফ-ঝম্ফ দিয়ে, গফুর মিয়া করলো আর এক বিয়ে- আগের ঘরে আছে যে তার হালি খানেকসম্পূর্ণ
এতদিন পরে, এলে মম দ্বারে, কবিতার রূপ ধরে আঁখির পলকে, হৃদয় কাড়িয়া, নিলে যে আপনসম্পূর্ণ
লিখেছিলাম রঙ্গিন কাগজে, চিঠিখানি পাঠিয়েছিলাম, শেষ বিকেলের ডাকে- ভেবেছিলাম, পৌঁছে যাবে ঠিকই সেথায় যেথায়, আমারসম্পূর্ণ
রাজার দুলালী, যাবে গো মা আজিকে মোর ঘরের সমুখ দিয়ে, যাবে তো সে দোলায় চড়েসম্পূর্ণ