মায়াবিনী ছায়া
দুয়ারে এসে দাঁড়ালোকে যেন,লাল পেড়ে হলুদ শাড়িখানি পরে-মাঠে বয়েছিলো পুবালী বায়,আকাশে জ্বলেছিলোগৈরিক আলো, ক্ষণিকের তরে।সম্পূর্ণ
সহস্র চেঙ্গিস
শবের মিছিলে ভরে গেছে রাজপথ,সারা বিশ্ব জুড়ে, চলিছে শোকের মাতমআর্তচিৎকার গুমরে কাঁদছেপ্রসাদের অভ্যন্তরে।কারণ, পরমাত্মীয়ের শেষকৃত্যেওসামিলসম্পূর্ণ
জীবনের জয়গান
উৎসব রজনীর সকল আয়োজনঢেঁকে গেলো গহীন আঁধারে,জোর করে কে যেন কেড়ে নিলোসুরগুলো সব। অকাট দুর্বোধ্যসম্পূর্ণ
অসময়ের বাদল
নিশীথে হৃদয়ের মাঝে দোল খায়,একটা পূরাতন ঘড়ির পেন্ডুলাম-ঘন্টা ধরে ধরে স্বশব্দে বেজে ওঠে,জানান দেয় তারসম্পূর্ণ
ওদের পাশে দাঁড়াই
বেধড়ক খিদের জ্বালায় কেঁদে কেঁদে,বেঘোরে ঘুমুচ্ছে শিশুটাতার মায়ের আঁচলে মাথাটাকে ঢেকে। মায়ের চিন্তার শেষ নেই,খুদকুটোসম্পূর্ণ
দিন ভিত্তিক চাকুরে
দৈনিক ভিত্তিতে চাকুরীরত আছেনজনাব নাসিরুল হক,নিবেদিত প্রাণ চাকুরীর তরেনহেন তিনি একেবারেই ঠক। প্রতিদিন সঠিক সময়েসম্পূর্ণ
বৃক্ষ নিধন
বৃক্ষ হইতে পড়িল শাখাটি পথে,শাখাটি কাঁদিয়া কহে, ওহে মাতাতব সুখ কি নিহিত, ইহাতে। বৃক্ষ হাস্যসম্পূর্ণ