বিস্মরণের খেয়া
আলেয়ার আলো দেখেজ্বালানো হয়নিকো গৃহেতে আমার,সাঁঝের প্রদীপখানি-যদিও সেটা জ্বলে নিভু নিভু,আঁধার কাটেনা তাতে। অতীব আশাসম্পূর্ণ
আলেয়ার আলো দেখেজ্বালানো হয়নিকো গৃহেতে আমার,সাঁঝের প্রদীপখানি-যদিও সেটা জ্বলে নিভু নিভু,আঁধার কাটেনা তাতে। অতীব আশাসম্পূর্ণ
প্রস্তর খচিত প্রাসাদের খেলাঘরে আররহিব না হয়ে অবরুদ্ধ,ফিরিয়া যাইবো সেই গ্রামের পর্ণ-কুটিরেযেথা স্নিগ্ধ বায়ু বহেসম্পূর্ণ
গোটা ধরিত্রীটা থমকে গেছে হঠাৎ করে,কোন এক অজানা আতংকে-থেমে গেছে কোলাহল,থেমে গেছে চলাচল,থেমে গেছে উচ্ছলতা।সম্পূর্ণ
দেখিয়েছিলেন তর্জনী সেদিন,সেই একজন-যার জন্যে হয়েছে দেশটা স্বাধীন। সাড়ে সাত কোটি বাঙালীরে কয়েছিলেন,অস্ত্র ধরিবারে-আরও কয়েছিলেন,সকলসম্পূর্ণ
ফাগুন চলিয়া যায়,হৃদয়খানি কাহারে খুঁজিছেভরা এই দখিনায়। কাহারে ফিরিয়া চাহে,মরমের মাঝে বিরহের পলেকোন সুরে সেসম্পূর্ণ
অবশেষে,সে বাতায়নে বসে,একটু প্রশান্তির নিঃশ্বাস নেবার চেষ্টা করলো-সমস্ত প্রান্তিক চাহিদাগুলোকেসময়ের কাছে বন্ধক রেখে,কোন এক দূরপাল্লারসম্পূর্ণ
স্বপ্নভঙ্গ হইল কি অবশেষে?পাঠোদ্ধার করা গেলোনাতো, নিয়তির লিখন!অতঃপর, নিদারুণ বাস্তবতার নিরিখেই ইতস্ততঃ বিচরণ।আত্মার পরিশুদ্ধতায়, তাঁহাকেইসম্পূর্ণ