ভাঙ্গা জীবন (পর্ব-৯)
ক’মাস থেকেই বইছিল জ্বর, ঝিম শরীরের বল, ঔষধ খেয়ে বারে বারে তার মিলতো না কোনসম্পূর্ণ
ক’মাস থেকেই বইছিল জ্বর, ঝিম শরীরের বল, ঔষধ খেয়ে বারে বারে তার মিলতো না কোনসম্পূর্ণ
একদিন এসে সন্ধ্যাবেলায় ফুলি ডেকে মোরে কয়, এশা শেষে এসো মোদের বাড়িতে ডেকেছে বাবা তোমায়।সম্পূর্ণ
পরের জমিতে ফসল ফলানো ছিলো না মোদের কিছু, অভাবটা যেন চির সাথী হয়ে ধরলো আমারসম্পূর্ণ
সারাদিন ফুলি পাশেই থাকতো করতে সকল কাজ, দিনের অন্তে বাড়ি ফিরে যেতো নামলে তবেই সাঁঝ।সম্পূর্ণ
আশা ভরা দিন চলছিল বেশ স্বপনের জাল বুনে, ভাবিনি কখনও খেয়েছে যা সুখ নিভৃতে জরাসম্পূর্ণ
খাতার ভিতরে পত্র লুকায়ে পরদিন দিয়ে হাতে, বলেছিনু শুধু পড়িস কিন্তু একা নিরালায় রাতে। কিসম্পূর্ণ
চাচা চাচী মোরে আপনার ভেবে খুব যে বাসতো ভালো, আমি নাকি ধন সংসারে জ্বলা নিত্যসম্পূর্ণ
বাবা মা মোদের ছোট পরিবার ছিলো না পাতের কেউ, দিবা-নিশি যেতো সংসারে বয়ে সুখ সায়রেরসম্পূর্ণ
অনেক কষ্টে বসে বলে চাঁদ সয়ে গতরের ব্যথা, শুনবি কি দোস্ত স্বপ্নের মতো ভাঙা জীবনেরসম্পূর্ণ
কোথায় চলেছো তুমি ওহে মনু মাঝি? জানো কি পৌঁছতে সেথা কতো পথ বাঁকি? সুরুজ যেসম্পূর্ণ
বাঁশ ঝাড়ে ক্যান ডাকিস রে তুই কোকিলা? দুলছে দেখে কালের বাতি উঠছে আড়ে ভ্রম যাসম্পূর্ণ
ভূতোর বাড়ি রোজ রাতে কেউ দৌড়ে বেড়ায় ঘুরে, ভয়ে সবাই জাগ্রত রয় যায় বলে ঘুমসম্পূর্ণ
বিরহ অনলে যদি পুড়েও হৃদয়, তবুও হয় কি প্রেম আঁধারের সাথী! থাকে সে ভজক রূপেসম্পূর্ণ