কথ্যই নয়, সত্য!
চাষী যদি কাশি দেয় খাসি ডাকে ফেরে, দাসী যদি হাসি দেয় মাসি যায় ছেড়ে। জাতিসম্পূর্ণ
রুবাইয়াত-ই-বোরহান (ডুগডুগি)
ছল-চাতুরীর ঝলকানিতে এ মন সাজে রোজ রুগী, ধ্বস দেখে ওর অনুতাপে হরেক জ্বরে খুব ভূগী।সম্পূর্ণ
রুবাইয়াত-ই-বোরহান (তালকানা)
মাটির গড়া পিঞ্জিরাতে মেয়াদ লিখে দুই গানা, পুষছো তাতে দমের পাখি বাঞ্ছা দিয়ে চার আনা।সম্পূর্ণ
রুবাইয়াত-ই-বোরহান (হরবোলা)
হতিস বলে রোজ নিশীথে উর্দ্বে চেয়ে ডাক ভোলা, চাঁদ সেজে রে জ্যোৎস্না দিতাম চকোর ভেবেসম্পূর্ণ
চাইলে কি পাই!
চাইলে কি পাই সুখরে পাশাপাশি! ডাকতে গেলে হোঁচট লাগে ব্যথায় বুকের কাঁপন জাগে, যাচলে তবুসম্পূর্ণ
আজব বিলের ধারা
মাছরাঙা উদ পানকৌড়ি সাপ খ্যালে বলে তাস, ধায় বিলে ভাই আজব সময় শুধুই ফাগুন মাস।সম্পূর্ণ
সোনামণি সিনথীয়া
সোনামণি সিনথীয়া গান গায় পিয়া পিয়া ধ্যান করে সকলের ভঙ্গ, জেগে সদা পাশাপাশি এই জলসম্পূর্ণ
ওরা ছয়জন ও আব্দুল গণি
’সহজেই জয় ছিনিয়ে আনতে পারবো’ ভেবে ওরা ছয়জন একদিন যুদ্ধের তরে বাজায় রণভেরী, শুনে হাসেসম্পূর্ণ
হুঁশের আড়ে
খোঁজ করে কে ক্যামনে বাঁচে চিন্তনের হুঁশ? জন্ম নিয়েই আমরা তো ভাই সবাই মানুষ। ভবেরসম্পূর্ণ
দেবোই আমি সাড়া!
দুঃখে যদি ওই নীল আকাশ হয় গো দিশেহারা, তোমরা যতোই চুপ করে রও দেবোই আমিসম্পূর্ণ
সন্ধ্যা বিহীন ধনাত্মক প্রহর!
সেই যে কবে জীবনের বুকে নেমে এলো সন্ধ্যা তারপর থেকে শুধু সন্ধ্যাই দেখছি ভাবতে গেলেসম্পূর্ণ
তার অন্তিম যাত্রা!
ভীষণ কাতর, অন্তরের কষ্ট তার – আগ্নেয়গিরির জ্বলন্ত লাভার মতো ধড়ফড়ে! মাটির একটা ভাঙা থালাসম্পূর্ণ