আর কতো কান্দাবি দয়াল
মন কোকিলা কান্দেরে এই মনেরি বনে
এক ফোটা সুখ নাই রে আমার এ মনে।
ফাগুনো যে যায় রে বৃথা বুঝাই কেমনে
দয়াল বুঝাই কেমনে?
ও … দয়াল বুঝাই কেমনে?সম্পূর্ণ
মন কোকিলা কান্দেরে এই মনেরি বনে
এক ফোটা সুখ নাই রে আমার এ মনে।
ফাগুনো যে যায় রে বৃথা বুঝাই কেমনে
দয়াল বুঝাই কেমনে?
ও … দয়াল বুঝাই কেমনে?সম্পূর্ণ
শুন্যকে এক বিয়ে করে
হয়ে গেছে দশ,
বিশ্বমাঝে বাড়লো তাদের
নাম খ্যাতি যশ।সম্পূর্ণ
হে মা… নু… ষ !
তোমরা পথ ভ্রষ্ট হয়ো না,
হারাইয়ো না মানবতা।
ভুলে যাচ্ছো- তোমরাই সৃষ্টির সেরা জীব।
নিজেরাই নিজেদের নিয়ে যাচ্ছো অন্তিম ধ্বংসের পথে।
ভাইয়ে ভাইয়ে করছো সংঘাত।
কোমল শব্দগুলো আজ
নাগরীক যান্ত্রিকতার পদাঘাতে পিষ্ট।সম্পূর্ণ
মরণের জমজ ভাই এলেই শরীরে অনুভূত হয় চরম বেত্রাঘাত।
এ যাতনা আমার বাইশ ফাগুনের সঙ্গী।
জেগে থাকো ঘুমপাখি,
তুমি জুড়ে বসলেই আমার বিপদ।
আমাকে সইতে হয় অসহ্য যন্ত্রণা!সম্পূর্ণ
দিনে করে বস্ত্র দান
হরণ করে রাতে,
সমাজের দায়-ভার
দেবো কার হাতে?সম্পূর্ণ
মানুষের রক্তে হলি খেলে দু পেয়ে দৈত্যরা…
সে রক্তে গোধূলির আকাশ লোহিত সাগর হয়ে যায়…
সবই অসহ্য হয়ে পড়ে…
তখন মনে হয় আমি-ই বিক্ষত বিজয়।
অভিলাষ মাহমুদসম্পূর্ণ
আমি নাদান প্রেমিক তার আশ্রয়- প্রশ্রয়ে দিব্যি বেঁচে আছি রঙ তামশার এই রঙিন দুনিয়ায়। সম্পূর্ণ
ক্ষণে ক্ষণে রূপ বদলাই।
কখনো লোহিত, কখনো নীলাভ,
কখনো হরিৎ, কখনো হরিদ্রা,
কখনো শ্বেত, কখনো কৃষ্ণা।
কখনো হয়ে পড়ি বর্ণহীন।
কখনো হই প্রেমিক কিশোর
কখনো হই চৈত্রের খাঁ খাঁ রোদ
কখনো হই কিশোরীর জলতৃষ্ণ।
অভিলাষ মাহমুদসম্পূর্ণ
ধরা দাও না অথচ ধরতে চাও – গেলো ফাগুনে তোমাকে ধরতে চাইলাম । তুমি বলেছিলেসম্পূর্ণ
তোমার অধরের লালা আমার প্রণয় সুরা –
আমার মনের হেরেমে তুমিই অদ্বিতীয়া রানি ।
তুমি অভিমান করতেই পারো –
এটা তোমার প্রেমাধিকার ।সম্পূর্ণ
তোমার দিকে তাকিয়ে যখন
বললাম প্রেমের বৃষ্টি নামুক,
তুমি তখন নামিয়ে দুচোখ
বললে তোমার দৃষ্টি কামুক।
– অভিলাষ মাহমুদসম্পূর্ণ