তোমাকে ছুঁয়ে দেখতে ইচ্ছে হয়
জানিনা, তোমার উপচে উঠা বুকে এখনো তরঙ্গ আছে কিনা!
তবুও যে একটিবার তোমাকে ছুঁয়ে দেখতে ইচ্ছে হয়।সম্পূর্ণ
জানিনা, তোমার উপচে উঠা বুকে এখনো তরঙ্গ আছে কিনা!
তবুও যে একটিবার তোমাকে ছুঁয়ে দেখতে ইচ্ছে হয়।সম্পূর্ণ
তোমার স্তনোস্ফীত বুক, তটিনী চোখ,
অঙ্গের তাপ
আমাকে বেশুমার ক্ষুধা জাগিয়ে দেয়!
কামরূপ-কামাক্ষার মন্ত্রবাণ-তন্ত্রবাপ
এক নিমিষেই উড়ে যায়….
সম্পূর্ণ
ইচ্ছে আমার রাত চরা পাখির মতো কল্লোলিত হবো তোমার বুকে
ঘাইহরিণীর মতো মোলায়েম অথচ প্রমত্তা পদ্মার মতো উত্তাল শিহরণেসম্পূর্ণ
আমি বৃষ্টিতে ভিজবো,
একজন রূপাও ভিজবে।
সে আমাকে ভালবাসতে চাইবে,
খুব করে চাইবে একটি চুমু সেঁটেদিতেসম্পূর্ণ
কোলাহলময় রূপ যৌবন ফিরে পেলো উদ্বেলিত মাঠ!
ঘোষিত ইশতেহারের পাতাগুলো-সমবেত মানুষের উষ্ণ আলিঙ্গন ছুঁয়ে……
পূর্ব দিগন্তে ফুটে উঠা আলোকরেখা-ক্রমশ উজ্জ্বল হতে হতে পশ্চিমের কুলে রংধনু জড়ালো।সম্পূর্ণ
কবিরা নিশ্চিতভাবেই জানে দৃশ্যমান প্রকৃতি
এবং আলোকচিত্রের অন্তরালে আরো অধিক
খোঁড়াতে হবে অস্তিত্বের শেকড়!
তবুও তাঁদের চোখেও আজ অশ্রু,
কলমে লেগে আছে অজস্র মৃত্যুর পদাবলী!সম্পূর্ণ
বাতাসের স্বরলিপি, হৃদয় উদ্ভাসে, আরো বহুদূর সমারোহে নিঃশব্দ অলৌকিকতায়
আমরা দুজন হেঁটে যায় অপার্থিব তীব্রতায়!
সম্পূর্ণ
তুমি, আমি কোমল জোৎস্নায় হেঁটে হেঁটে বিলিয়েছি অজস্র স্বপ্ন
মনের যুদ্ধে হারিয়ছি শরীরের তৃপ্ত বাসনা, আগুন উত্থান!
সেদিন অপরিনেয় আকাঙ্খা ধংস্ব করে পবিত্র সৃষ্টির বীজ বুনতে চেয়েছিলাম!সম্পূর্ণ
মননচৈতনৌর বিপরীতে ঘুরছে মহাকাল, নিরন্তর আয়ুক্ষয়,
ডুবে যাচ্ছি স্তব্ধতার গভীরে, অদ্ভুত এক চাঁদ ঠিকরে
নিঃশব্দে ঘুরছে পূর্বপুরুষদের ঐশ্বর্যের মহাকাব্যে!সম্পূর্ণ
শরীর থেকে মন সর্বত্র একেশ্বরবাদ,
ঈমান-আমল-আকিদার সুগভীর এই পথ
বড্ড কন্টকাকীর্ণ,
পাড়ি দিতে হবে উত্তুঙ্গ সমুদ্রে সাঁতরিয়ে।সম্পূর্ণ