আমরা ঘরকে ভীষণ ভালবাসি
সুঁড়িপথে হেঁটে চলে পরাধীন শব্দরা,
এই তো দেখছি-সত্য পুচকে মেয়ের মতোই আহ্লাদী! সম্পূর্ণ
সুঁড়িপথে হেঁটে চলে পরাধীন শব্দরা,
এই তো দেখছি-সত্য পুচকে মেয়ের মতোই আহ্লাদী! সম্পূর্ণ
শরীরের তন্তুতে অদ্ভুত এক ছায়া প্যাঁচিয়ে যায়,
চোখের সম্মুখে কখনো ঘুরে বেড়ায় জলন্ত মেঘ কখনোবা যজ্ঞের কাপালিক!
সম্পূর্ণ
দ্রুত বদলে যাচ্ছে পৃথিবীর রূপ-যৌবন
চিরন্তন বেদনার কলরবে মুছে যাবে
রূপান্তরের হাট। শব সাধনায় ক্রমেই
স্পষ্ট হতে থাকে অশরীরি আত্মার পদধ্বনি।
সম্পূর্ণ
যক্ষপুরীদের উল্লাস যেমনটি থেমে নেই
তেমনি মহাশূণ্যের ছায়াবিন্যাসে
মৃত্তিকার মুখ
আমাকে যৌবনের ঘুঙুর পড়িয়ে দেয়।
উদগ্রীব তৃষ্ণার জলে-
নুয়ে পড়ে সমস্ত মহাজাগতিক দৃশ্যপট।সম্পূর্ণ
অশরীরি মাঝেমধ্যে হাত, পা গুলো নাড়াচাড়া করে, হৃদকম্পন বেড়ে যায়।
এরমধ্যে বুদ্ধদেব হাজির হয় একখানা কবিতা নিয়ে, প্রেম জাগাতে চাইসম্পূর্ণ
এই যেনো নীল অন্ধকার, মহাভৈরবীর অন্ধরমহল!
দুঃস্বপ্নের মূর্তিগুলো লোলজিহবা প্রসারিত করে শুষে নেয়
প্রেমিকার জঠরে বেড়ে উঠা প্রতিধ্বনিসম্পূর্ণ
আমরাও গায়ের চামড়াগুলো
গণ্ডারের সংস্করণে মুড়িয়ে নিচ্ছি-
কেননা ইতরশ্রেণীর প্রাণীগুলো আমাদের সহজাত!সম্পূর্ণ
সমস্ত নির্জনতা ভেদ করে আজ তবে নেমে আসুক-
সদ্য ভূমিষ্ট শিশুর মতো নিষ্পাপ, কোমল বৃষ্টিধারা
মুছে যাক বেদনার্ত মুখ, আস্তিনের নিচে জমে থাকা দুঃখগুলো!সম্পূর্ণ
বিকেল গড়িয়ে সূর্যটা নিভে গেলেও
দিয়াশলাই এর মতো জ্বলে ওঠে নারীর তাপ
কিংবা অজস্র চুম্বনের দাগ!
কবির বুকেও তেমনি জেগে ওঠে মৃন্ময়ীর
স্পর্ধাহীন শরীর, যোনীফুল, তুমুল বৃষ্টি!সম্পূর্ণ
বাংলাদেশের বুকে ছুরি বসিয়ে দিয়েছে কেউ একজন
আহত বাংলাদেশ মাটিতে মুখ থুবড়ে পড়লো,
ফোঁটা ফোঁটা রক্ত বয়ে যাচ্ছে পদ্মা, মেঘনা, যমুনায়….সম্পূর্ণ
ধ্রুপদী সুর এবং তুমি-আমি তেমন।
সদ্য জেগে উঠা সবুজ চর কিংবা
ক্ষুদ্র টিলার মতো যৌবনবতী তুমি।সম্পূর্ণ