দ্রুত বদলে যাচ্ছে পৃথিবীর রূপ-যৌবন
চিরন্তন বেদনার কলরবে মুছে যাবে
রূপান্তরের হাট। শব সাধনায় ক্রমেই
স্পষ্ট হতে থাকে অশরীরি আত্মার পদধ্বনি।
সম্পূর্ণ

যক্ষপুরীদের উল্লাস যেমনটি থেমে নেই
তেমনি মহাশূণ্যের ছায়াবিন্যাসে
মৃত্তিকার মুখ
আমাকে যৌবনের ঘুঙুর পড়িয়ে দেয়।
উদগ্রীব তৃষ্ণার জলে-
নুয়ে পড়ে সমস্ত মহাজাগতিক দৃশ্যপট।সম্পূর্ণ

এই যেনো নীল অন্ধকার, মহাভৈরবীর অন্ধরমহল!
দুঃস্বপ্নের মূর্তিগুলো লোলজিহবা প্রসারিত করে শুষে নেয়
প্রেমিকার জঠরে বেড়ে উঠা প্রতিধ্বনিসম্পূর্ণ

সমস্ত নির্জনতা ভেদ করে আজ তবে নেমে আসুক-
সদ্য ভূমিষ্ট শিশুর মতো নিষ্পাপ, কোমল বৃষ্টিধারা
মুছে যাক বেদনার্ত মুখ, আস্তিনের নিচে জমে থাকা দুঃখগুলো!সম্পূর্ণ

বিকেল গড়িয়ে সূর্যটা নিভে গেলেও
দিয়াশলাই এর মতো জ্বলে ওঠে নারীর তাপ
কিংবা অজস্র চুম্বনের দাগ!
কবির বুকেও তেমনি জেগে ওঠে মৃন্ময়ীর
স্পর্ধাহীন শরীর, যোনীফুল, তুমুল বৃষ্টি!সম্পূর্ণ