অজস্র রূপান্তরে সকালের রোদ্দুর যেনো বিকেলের নিষ্ঠুর বিভ্রান্তি
অসম বিবর্তনে যদিও আমাদের মেরুদণ্ড বেঁকে
গেছে,
তবুও আমরা কেউকেউ বেঁচে আছি নষ্টদের মুঠোতে, তোয়াজে!সম্পূর্ণ

সেদিন্টাতেও তোমার ঠোঁটে ছিলো মৃদু তরঙ্গ
বুকে জেগে উঠতো কালবোশেখী ঝড়,
সমস্ত আকাশটা দুমড়ে মুচড়ে বৃষ্টি নামতো!
নীচে, বহুদূর বয়ে যেতো জলস্রোত,
সৃষ্টির বিস্মরণে বেজে উঠতো শঙ্খধ্বনি।
সম্পূর্ণ

ক্ষুধার অভিশাপ মুছে দিতে তোমার সঙ্গমমন্ত্র নিরলস ঐশ্বর্য বিলিয়েছে…
ইতোমধ্যেই পাড়ার সমস্ত ইঁদুর মরে গিয়ে উৎপাতহীন,
স্পন্দমান এক নতুন পৃথিবীর ঘোষণা দিয়ে রেখেছে। সম্পূর্ণ

তোমার স্পর্ধাহীন কামিনী বক্ষ বিভাজিকায়
যদিও সমস্ত দৃশ্য চুপচাপ হেঁটে যায়….
অথচ আমার স্নায়ু জগতের পুরোটাই দখল নিয়েছ!সম্পূর্ণ

সেদিন আকাশটাও ছিলো কোমলমতি শিশুর মতো ফুটফুটে সুন্দর
কিছুসময় আমাদের রক্ত উম্মাদ হয়েছিলো কুমারী পবিত্রতার চিহ্ন মুছে দিতে
লীলাক্ষেত্রে বাধ সাধলো ভালবাসার শুদ্ধস্বর, পারস্পরিক দায়বদ্ধতা!সম্পূর্ণ

একান্ত নিজের কিংবা আকাঙ্ক্ষিত নারীর সাথে জীবন বিনিময়, সময়ের পালাবদলে একটু নড়েচড়ে, কিছুটা ধূসর হই। তবুও সত্য একান্তই আপন মানুষটিকে শিল্প ভেবেই অবিরত শিস বাজায়….কেননা আমি অন্ধ এবং বোকা, অভিঘাতে জর্জরিত!
সম্পূর্ণ

নব্য ভূস্বামীর সম্মিলিত কোরাসে
বহুবার মরে গেছে আমাদের অজস্র স্বপ্ন!
স্নায়ু টানটান করে বেঁধে নিয়েছি তথাপি
চক্রাকারে বয়ে চলে অভিশাপ……সম্পূর্ণ

আমাদের জীবনের পাণ্ডুলিপিটাও রচিত হচ্ছে অনেকটা ছেড়া মশারীর মতো!
কচুবনে মুখ লুকাতে থাকে আমজনতা, চোখটাও যে বেঁধে রাখতে হয়!
আর আমাদের যারা প্রতিভূ, ওদের হাতের মুঠোয় বিষ।সম্পূর্ণ