অনন্ত যাত্রাপথে
সেমিটিক সভ্যতার আদিলগ্ন থেকে অদ্যাবধি জীবন মৃত্যুর উপাখ্যানে…
কতিপয় আত্মা ঘুরে বেড়ায় ,
কখনো কখনো নগ্নতায়, কখনোবা যান্ত্রিকস্তরের শাখা- প্রশাখায় হেঁটে হেঁটে…সম্পূর্ণ
সেমিটিক সভ্যতার আদিলগ্ন থেকে অদ্যাবধি জীবন মৃত্যুর উপাখ্যানে…
কতিপয় আত্মা ঘুরে বেড়ায় ,
কখনো কখনো নগ্নতায়, কখনোবা যান্ত্রিকস্তরের শাখা- প্রশাখায় হেঁটে হেঁটে…সম্পূর্ণ
নারী তুমি–
প্রকৃতির খেয়ালীরূপের অন্তর্জ্বালায় মাতম করছ,
ল্যাম্পপোষ্টের নিচেও তেমনি আলোহীন বুক
নিতান্তই সস্তা আদিমতার ছায়াতল,
কবি খুঁজে নেয় নিষিদ্ধ চোরাগলি।সম্পূর্ণ
এইবার জেগে উঠুক প্যালেস্টাইন, পবিত্র সত্ত্বার
ঝরো হাওয়ায় লণ্ডভণ্ড হোক সীমারের রাজত্ব।
শহীদের রক্ত আমাদের-ই চেতনার রঙ,
কফিনে ঢাকা ওদের মুখ উজ্জ্বল, প্রদীপ্ত পৃথিবীব মুক্তির নিরব শ্লোগান!সম্পূর্ণ
বিমূর্ত চোখের আভায় প্রকৃতির শিল্পরূপ নির্মাণ
হৃদপিণ্ডে একটি একটি করে গোলাপ ফুটেসম্পূর্ণ
অনাবিত্তের গ্লানি, জীবনচর্চার ধারালো পথ
সত্ত্বার গভীরে ক্ষুধার অভিশাপ মুছে ফেলার তীব্র প্রতিক্ষা….
সম্মুখে বিশাল শকুনের মাঠ, দুঃস্বপ্নের চরাচর!সম্পূর্ণ
হঠাৎই বুকের ভেতর জেগে উঠলো একটি মগ্নচোখা নদীর ঢেউ
সেইসাথে পুরোনু প্রেমিকার অস্পষ্ট মুখ, সাংকেতিক ভাষা!
সম্পূর্ণ
সেদিন অজস্র বিলাপধ্বনিতে আকাশ থেকে বৃষ্টিধারার মতো ঝরে পড়লো অভিশাপ
আমাদের হাঁড় মজ্জায় লেগে গেছে কলংকের কালো তিলক।
রাজরক্তের স্রোত এক প্রবাহমান নদীর মতো ভাসতে ভাসতে
সর্বত্র-ছড়িয়ে দিয়েছিলো দীর্ঘ শোক ও দুঃখযাত্রা!সম্পূর্ণ
মনোসংগমে আঁধার কাটে
মধাহ্নেও ছিন্নভিন্ন মেঘমালায়
স্ফুরিত হয় যৌবনপোড়া অসুখ!
সম্পূর্ণ
বুকের সমস্ত শৃঙ্খল ছিঁড়ে গিয়ে ভীষণ অসুখে পুড়েছি
আড়মোড়া অন্ধকারে লুকিয়ে মন থেকে পাড়ি দিতাম শরীরে
সংলগ্ন পথে বাইনোকুলারের চোখের মতো আলোড়ন ছিলো
সেই চোখের গভীরে মেপে দেখেছি শুধুই তুমি, আর কেউ নেই সম্পূর্ণ
মনুমেন্টের নিচে দাঁড়িয়ে যখন স্বপ্ন আঁকি
বৈকুন্ঠ উদাসী হয়ে
একটি জীবন্ত কবিতার মতো
আমার সম্মুখে দাঁড়িয়ে আছো শুধুই তুমি।সম্পূর্ণ
আমার বুক থেকে তোমার চোখে, অবশেষে….
তোমার প্রশস্ত ললাটে লেগে থাকা মায়াবী রঙ
শরতের উজ্জ্বল বিভাকেও ছাড়িয়ে যায়।সম্পূর্ণ
প্রাচীন গোধূলীর মতো তোমার যৌবনরেখা বরাবর ছেচল্লিশের বুক কাঁপে, বিস্ফোরিত হয় হৃদযন্ত্র।সম্পূর্ণ