বৃষ্টিদিন, আমার গ্রাম ও শহর!
আমার শহরেও আজ বিরামহীন বৃষ্টি…
ঘরবন্দী সব মানুষ!
এখানে ক্ষুধা ও মৃত্যুর দায় বহন করে
অসহিষ্ণু জলতরঙ্গ
কেননা, কংক্রিট নগরে প্রকৃতির দায় নেই!সম্পূর্ণ
আমার শহরেও আজ বিরামহীন বৃষ্টি…
ঘরবন্দী সব মানুষ!
এখানে ক্ষুধা ও মৃত্যুর দায় বহন করে
অসহিষ্ণু জলতরঙ্গ
কেননা, কংক্রিট নগরে প্রকৃতির দায় নেই!সম্পূর্ণ
মাধবীর মুখ কিংবা সহস্রাব্দের আলোর বিপরীতে
এখন দেশজুড়ে ঘুরঘুট্টি অন্ধকার,
তামাটে চোখে দেখছি-
পরিকীর্ণ শেয়ালের মুখমন্ডল!সম্পূর্ণ
হয়তোবা খুব শ্রীঘ্রই জীবনের
অদৃশ্য সাঁকো বরাবর
এসেই আমি থেমে যাবো।
মৃত্তিকার বুকপাথরে জেগে উঠবে
আমার অনাদিকালের শব্দস্বর!সম্পূর্ণ
তোমার, মনের দরোজা উন্মুক্ত করে দাও….
আমি নেই, আরো কেউ কেউ প্রবেশ করুক
তীব্র শ্বাস নিলেই বুঝতে পারবে….
ওদের গায়েও লেগে আছে রক্তের ঘ্রাণ!
ওরাও যে বুভুক্ষু সভ্যতার সন্তান!
সম্পূর্ণ
তখনো উন্মত্ত কীর্তিনাশায় জ্বলজ্বল করে
জ্বলছিলো তোমার দুটি চোখ!
সূর্যের লোলুপ দৃষ্টি এরিয়ে ঝড়ের বেগে
আমিও ছুটে গেলাম,
কুমারীর পবিত্র সত্তাকে রক্ষা করবো বলে!
পুনশ্চঃ গিয়েসম্পূর্ণ
শেষবার যখন তোমাকে দেখতে পেলাম-
বড্ড অভিমানী তোমার মুখ, হলদে এবং শীতল
অথচ চোখ দুটি জ্বলছিলো ধ্রবতারার মতো!সম্পূর্ণ
শিল্পহীন-আদিম উল্লাসে ভিজে বুকের তলা।
এই যেনো এক অশুচি রক্তের মিশেলে
বয়ে চলা পক্ষাঘাতগ্রস্ত সময়।সম্পূর্ণ
এখানে ছেঁড়া কাপড়ে দৃশ্যমান উরুতে অশ্লীলতা নয়, তীব্র ক্ষুধা! সম্পূর্ণ
এই মাটির ঋতুরুদ্ধদ্বারে
ছদ্মবেশী এক অন্ধকার!
ক্রমাগত বিস্তীর্ণ হতে থাকে
নব্য সামন্তপ্রভুর লম্বা হাত,
লীন হতে থাকে-
আধপোড়ানো মাটির বর্ণমালা।সম্পূর্ণ
হৃদয় পুড়িয়ে যতটুকু যেতে পারি, যাবো
কিংবা বেদনার গন্ধ শুকিয়ে অবিরত
বৃষ্টির প্রতিক্ষায়……
সম্পূর্ণ