তুমি যদি হও পুষ্প নদী
তোমার বয়ঃসন্ধিকালের উড়ন্ত ডানায়
আমি ছিলাম তোমার গোপন শিরোনাম
সম্পূর্ণ
তোমার বয়ঃসন্ধিকালের উড়ন্ত ডানায়
আমি ছিলাম তোমার গোপন শিরোনাম
সম্পূর্ণ
কতগুলো অচেনা শব্দের ঘুঙুর বাজে,পরীরা নাচতে থাকে নীলরংয়ের হেরেমখানায়! পুষ্পরজ; এবং কামশাস্ত্রের ভিন্ন ভিন্ন পাঠ চলে….
বৃষ্টিধারায় জন্মনেয় কাব্যবালিকা!দূর্বার বেগে ছুটে চলা শব্দগুলো কবিগণ লুটে নেয়।সম্পূর্ণ
তোমার রূপযৌবনে ভাসতে থাকবে আরব সাগরের তেল, এশিয়ার গ্যাস, আফ্রিকার সোনা এবং আমেরিকা ,রাশিয়ার কারখানায় উৎপাদিত রাসয়নিক, হাইড্রোসিল বোমা….
তুমিও হতে পারো তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের অন্যতম উৎসমুখ!সম্পূর্ণ
বুকের ভেতর জেগে ওঠে হাত, ঠান্ডা স্পর্শ, কামিনী ফুলের সৌরভ
দিগন্তে খেলা করে রোদ্দুর, রেখাচিত্রে জাগরণ….
করিডোরে ছায়াজন্মের মতো ঘুরে বেড়ায় শত সহস্র নিঃশ্বাসসম্পূর্ণ
তোমার হাত ধরে হাঁটবো
হোক বৃষ্টি অঝোর ধারায়-ভিজবো
লন্ডভণ্ড হোক পৃথিবী, আমার তাতে কীসম্পূর্ণ
রাত্রিতে ব্যাধিঘোরে জন্ম নেয় মৃত জোৎস্না, আকাশে জমেছে ময়লার স্তুপ, ভস্মের ভিতরে জন্ম নেয় পাপগ্রস্ত কালোচিতা! উপদ্রুত উপকূল পেরিয়ে-বিস্তীর্ণ প্রান্তরে লেগেছে মড়ক!
সম্পূর্ণ
আমার পেটের ভেতর যখন ঠোক্কর মারে ক্ষুধা…
বিশ্বাস করুন-
দরবেশ বাবা থেকে শুরু করে রাষ্ট্রযন্ত্র,
রক্তচোষা শয়তানগুলোর হাঁড়-মাংস সবটায়,
সবটায় আমি-এক নিমিষেই খেতে চাই!
সম্পূর্ণ
তোমার স্তনোস্ফীত বুক, তটিনী চোখ,
অঙ্গের তাপ
আমাকে বেশুমার ক্ষুধা জাগিয়ে দেয়!সম্পূর্ণ
কৈশোরকালেই আমাকে তাড়িয়ে বেড়াতো অজস্র স্বপ্ন
কিভাবে বোতাম খুলে বুকে জাগাতে হয় উজ্জ্বল আলো,
কিভাবে প্রবেশ করতে হয় কুমারী নদীর গহ্বরে!সম্পূর্ণ
হে যৌবনগর্বিনী নারী আমায় পরিত্রাণ দাও
পাপহীন তোমার শরীরে সঞ্চারিত করো
আমার পবিত্র আত্মা!সম্পূর্ণ
তুমি যখন অনাবৃত সমুদ্রে জেগে উঠে গভীর তরঙ্গ,
কেঁপে ওঠে পৃথিবীর উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ!
তোমার অন্তর্জালে আমার পৌরুষদীপ্ত অহংকার উইপোকার মতো ঝরে পড়ে।সম্পূর্ণ