নৈশব্দের সাথে সংগমে জড়িয়ে যায়!
আমি শব্দ খুঁজি, শব্দ কুড়ায়,
নৈশব্দের সাথে সংগমে জড়িয়ে যায়!
সম্পূর্ণ
আমি শব্দ খুঁজি, শব্দ কুড়ায়,
নৈশব্দের সাথে সংগমে জড়িয়ে যায়!
সম্পূর্ণ
এই যেনো নীল অন্ধকার, মহাভৈরবীর অন্ধরমহল!
দুঃস্বপ্নের মূর্তিগুলো লোলজিহবা প্রসারিত করে শুষে নেয়
প্রেমিকার জঠরে বেড়ে উঠা প্রতিধ্বনিসম্পূর্ণ
প্রিয়তমার স্তনভারে মুখ লুকিয়ে পরাজয় মেনে নিই
আমি জানি রাহুগ্রস্ত সভ্যতার পিঠে ভর করেছে সর্বনাশের উপত্যাকা
তবুও আমি হেঁটে যাই বিদীর্ণ মাটির খুব কাছেসম্পূর্ণ
উপমা ও চিত্রকল্পে এবং জাগরণে….
আমাকে নিয়ে চলো বিগত শতাব্দীর-
আম্রকুলের গন্ধে, উষ্ণ অনুরাগে-
মাটির শানকিতে অমৃত সে স্বাদ যেনো পাই।সম্পূর্ণ
সারিবদ্ধ বিহঙ্গের মতো আকাশে ভেসে বেড়ায় প্রিয়তমার নীল কামিজ-
অমনীল চুম্বন, উরুতে কামুক দাগ!
সমগ্র আকাশে ভর করে সৌরমণ্ডলের স্তব্ধতা।
সম্পূর্ণ
——————————————– পৃথিবীর বুকেপিঠে হাঁটছি, কখনো চিরহরিৎ, কখনো অন্ধকারাবৃত… গভীরতম কোনো দর্শনের কথা শোনা যায়, মানুষগুলোসম্পূর্ণ
সেদিনটাতে তোর বুকের ভেতর
ছিলো রোদ জমা উত্তাপ,
কখনোবা মাটিভেজা বৃষ্টি,
তোর-রূপোর শরীরে বেঁধেছিলাম খঞ্জনী
তবুও তুই চলে গেলি কোন সূদুরে!
সম্পূর্ণ
মনে পড়ে সুরমাতটের প্রেম, খুনসুটি, যেখানে নদী ও কাশফুল
বালিকার ঠোঁটে প্রথম চুম্বন!
তাঁহার রংধনু কাপড়ে লেগেছিলো সূর্যের উত্তাপ।
সম্পূর্ণ
তোমার শরীরখানাও যেনো আজ
প্রবাহমান এক নদী!
হৃদপিণ্ডে-
উচ্চকিত হর্ণ বাজিয়ে
অবিরাম ছুটে চলে!
সম্পূর্ণ
কখন যে সময় গড়িয়ে যায়-কালশশী জীবনের রঙমহল!
কখনোবা একেবারেই রঙহীন।
খঞ্জনীর বাজনা
খোলের চাঁটি
তমাল ঘেরা ছায়াতল
সূর্য উঠা ভোর
স্ফূর্তির আবেগ-
হঠাৎ কখনো কখনো জেগে উঠা ঘুমন্ত ট্রাক্টর!সম্পূর্ণ
তওজা মুরিদানগণ-পুষ্পবাটীতে সিক্ত করে,
চোঁয়াঢেঁকুর তোলে বিলিয়ে দেয় লস্কর।
দোয়েম-বাহক এগিয়ে চলছে দুণ্ডুক প্রবাহে।সম্পূর্ণ
স্বপ্ন ভেঙে গেলে ফিরে আসি চেনা পৃথিবীর নৈমিত্তিক কোলাহলে,এখনো ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে জাগতিক ক্ষুধার অজস্র সামগ্রী! মতাদর্শ ও মৃত্যচিন্তা আমাকে নিয়ে যায় নরকের খুব কাছে।সম্পূর্ণ