তবুও পায়ের চিহ্ন
ঘড়ির দুইটি ছোটো কালো হাত ধীরেআমাদের দু’জনকে নিতে চায় সেই শব্দহীন মাটি ঘাসেসাহস সংকল্প প্রেমসম্পূর্ণ
ঘড়ির দুইটি ছোটো কালো হাত ধীরেআমাদের দু’জনকে নিতে চায় সেই শব্দহীন মাটি ঘাসেসাহস সংকল্প প্রেমসম্পূর্ণ
বেঁচে থেকে কোনো লাভ নেই,- -আমি বলিনাতো।কারো লাভ আছে;– সকলেরই;– হয়তো বা ঢের।ভাদ্রের জ্বলন্ত রৌদ্রেসম্পূর্ণ
বিকেলবেলার আলো ক্রমে নিভেছে আকাশ থেকে।মেঘের শরীর বিভেদ ক’রে বর্শাফলার মতোসূর্যকিরণ উঠে গেছে নেমে গেছেসম্পূর্ণ
শীতের কুয়াশা মাঠে; অন্ধকারে এইখানে আমি।আগত ও অনাগত দিন যেন নক্ষত্রবিশাল শূন্যতারএই দিক- অথবা অপরসম্পূর্ণ
স্বাতীতারা, কবে তোমায় দেখেছিলাম কলকাতাতে আমিদশ-পনেরো বছর আগে; সময় তখন তোমার চুলে কালোমেঘের মতন লুকিয়েসম্পূর্ণ
হৃদয়ে প্রেমের দিন কখন যে শেষ হয় — চিতা শুধু পড়ে থাকে তার,আমরা জানি নাসম্পূর্ণ
শীতের ঘুমের থেকে এখন বিদায় নিয়ে বাহিরের অন্ধকার রাতেহেমন্তলক্ষ্মীর সব শেষ অনিকেত অবছায়া তারাদেরসমাবেশ থেকেসম্পূর্ণ
তারপর একদিন উজ্জ্বল মৃত্যৃর দূত এসেকহিবেঃতোমারে চাই- তোমারেই,নারী;এইসব সোনা রূপা মসলিন যুবাদের ছাড়িচ’লে যেতে হবেসম্পূর্ণ
দু-এক মুহূর্তে শুধু রৌদ্রের সিন্ধুর কোলে তুমি আর আমিহে সিন্ধুসারস,মালাবার পাহাড়ের কোল ছেড়ে অতি দূরসম্পূর্ণ
এক তোমার নিকট থেকে সর্বদাই বিদায়ের কথা ছিলোসব চেয়ে আগে; জানি আমি।সে-দিনও তোমার সাথে মুখ-চেনাসম্পূর্ণ