এ জীবন যাযাবরের
বিষন্নতার পাহাড় ভেঙেমরভূমির চোরাবালি চাই….সময়ের ব্যবধানে হাওড়ের জলে ভাসাপানকৌড়ির জীবন, যাযাবরের মতো জীবন নিয়েকোনোরকম বেছেসম্পূর্ণ
বাঈজী অধরা
প্রিয়তমা অধরা,তোমার ধূসর গোলাপি দু-ঠোঁট,সুরা রঙা,মাতাল করা!তোমায় আজ করবো নেশা,করবো যত রঙ তামাশা,মাতাল হবো,খেলবো গোল্লাচোট!সম্পূর্ণ
ক্ষুধার কথিকা
দু চার লাইনের কথিকায়আমায় প্রকাশ করা দায়!ক্ষোভ,ক্রোধ,বিষাদের যন্ত্রনায়,রোজ আমি হামাগুড়ি খায়! ছেটে পুটে খাচ্ছে ত্যাক্ততা,গ্রাসসম্পূর্ণ
মিছিল যেভাবে শুরু করতে হয়
ছেলেটা বললো, এভাবে চলতে পারে না, সবকিছু ভেঙ্গেচুরে যাচ্ছে,তার এক হাতে চায়ের কাপ, অন্য হাতেরসম্পূর্ণ
তুমিহীন এক বিকেলে
তু মি হী ন এক বিকেলে-নীড়ে ফেরা পাখিগুলো ঝুলে পড়েছে আকাশে,মেঘগুলো এলোমেলো হাঁটছে;আঁধারের খোলস গিলেসম্পূর্ণ
মৃতদের অভিমান
অনেক পাখির মতো এখনো বাড়ি ফেরেনি কাদামাখা একজোড়া পা,পুকুরঘাটের বাঁধানো সিঁড়ি বেয়ে নামতে থাকা শামুকওসম্পূর্ণ
প্রেমের ডর
আমি বুকের পাতায় ছবি জমাই যারতারে মুখের সামনে পাইলে কইতে পারিনা কিছুই।যার জইন্যে প্রেমের ঘরসম্পূর্ণ
আমার কাউকে মনে করার নেই
আমার কাউকে মনে করার নেই,নেই কিচ্ছু মনে করাবার।আমি নিতান্ত অভ্যাসে, বদ-অভ্যাসেহাঁটি চেনা পথ।খুঁড়ে দেখি প্রাক্তনসম্পূর্ণ
কাল বৃষ্টির পর
কাল বৃষ্টির পর তোমায় দেখেছিহলুদ আকাশের বিচ্ছিন্ন মেঘেদের মতোনসাময়িক উত্তেজনায় । যেন সবুজ পাতাদের সাথেসম্পূর্ণ
তোমাকে না পেলে
তোমাকে না পেলে আমি মরে যাবো, ভেবো না!কেউ কাউকে না পেলে মরে যায় নামরে তোসম্পূর্ণ












