তোমার তরে শেষ শব্দাবলি
মেঘপুঞ্জ সেদিন আবির্ভূত হচ্ছিল-তোমার তরে আমাকে নেয়ার জন্যে।মেঘপুঞ্জ সেদিন জড়ো হচ্ছিল-তোমার প্রতি আমায় আরো বিমোহিতসম্পূর্ণ
মেঘপুঞ্জ সেদিন আবির্ভূত হচ্ছিল-তোমার তরে আমাকে নেয়ার জন্যে।মেঘপুঞ্জ সেদিন জড়ো হচ্ছিল-তোমার প্রতি আমায় আরো বিমোহিতসম্পূর্ণ
আপনাকে ভালোবাসবার মতোন মধুর ভুল আমার আর হয়নি কখনো। আমি জানতাম না আমারো কারো জন্যসম্পূর্ণ
অনেক পাখির মতো এখনো বাড়ি ফেরেনি কাদামাখা একজোড়া পা,পুকুরঘাটের বাঁধানো সিঁড়ি বেয়ে নামতে থাকা শামুকওসম্পূর্ণ
আমি বুকের পাতায় ছবি জমাই যারতারে মুখের সামনে পাইলে কইতে পারিনা কিছুই।যার জইন্যে প্রেমের ঘরসম্পূর্ণ
আমার কাউকে মনে করার নেই,নেই কিচ্ছু মনে করাবার।আমি নিতান্ত অভ্যাসে, বদ-অভ্যাসেহাঁটি চেনা পথ।খুঁড়ে দেখি প্রাক্তনসম্পূর্ণ
মানবতাবাদী নই আমি!আমি তো প্রেমিক;মাওবাদী!! আমি তো চঞ্চল দূরন্ত- দস্যুপনাকে বয়ে বেড়াই আমার শিরায়,ধমনীতে, রক্তে।।সম্পূর্ণ
সতীন ভাবলা কবিতারে,যহন কইলাম – রাইখা আহো বারান্দায়। তখন প্রশ্ন তুললা – ‘এই হইলো তোমারসম্পূর্ণ
কাল বৃষ্টির পর তোমায় দেখেছিহলুদ আকাশের বিচ্ছিন্ন মেঘেদের মতোনসাময়িক উত্তেজনায় । যেন সবুজ পাতাদের সাথেসম্পূর্ণ
একটা সুখের গদ্যহোক,সদ্য ফোটা পদ্মহোক,,স্বপ্নগুলা রঙ্গিন হোক,সুখের খুব অসুখ হোক!! একটা প্রেমের কাব্য হোক;জগৎজুড়ে বহূদসম্পূর্ণ
অনেকদিন আগে, নিজ হাতে গড়া ভালোবাসার সৌধ বার্লিন দেয়াল মনে করে গুঁড়িয়ে দিয়েছি; লাল গোলাপেরসম্পূর্ণ
প্রেমময়ী তুমি নদীর মতো-পারহও ক্রোশ শত;তোমার ভালবাসার তাল-উত্তাল আর ছন্দের মাতোয়ারা নিয়ে এগিয়ে আসো;আমি তোসম্পূর্ণ