একদিন রেলগাড়ীর কামরায়
রেলগাড়ীর কামরা ভরা ঘুমক্লান্ত এক দুপুর নিঝুম,অভিসারে বিধ্বস্ত প্রেয়সীর মুখযেনো সুখের মত এক অসুখ।স্টেশনে স্টেশনেসম্পূর্ণ
তোমারে দেখেছি
তোমারে দেখেছি আমি-যেমন ওয়ালথার পিপি বুকে এসে ঠেস দিলে-মুখ মনে পড়ে মৃত্যুর;তেমন তোমার মুখখানি ভেসেসম্পূর্ণ
বর্ষার চিঠি
প্রিয়তমাষুহিজলের বন ছুঁয়ে ঝিরিঝিরি বর্ষণে সেদিন তুমি এসে ছিলে। কেয়া, কদমের পাপড়ীতে মিশে। শালিক, শ্যামারাসম্পূর্ণ
সপ্তবিংশতি
সপ্তবিংশতি তোমাকে পেয়েছিহয়তো আমার অবেলায় ;তোমাকে দেখেছি সপ্তর্শে, অষ্টাদশে;কতটা নিষ্পাপ,শুভ্র আর সরলায়।। সপ্তবিংশতি এখনো তুমি কৈশরী, সম্পূর্ণ
হ্যাডে ভুগ নাই
হাগলচোদা হই বই রইসি হইরহাড়ে। হ্যাডে ভুগ নাই-কইলজায় নাই হানি!মাথার ভিতর এ কি ডিস্টাপ শুরুসম্পূর্ণ
নুজহাত, মৌরিফুলের মর্ম বুঝেনি
বৃত্ত থেকে দূরে – বুনোফুলের বনে – হাঁটতে যদি সাথে – মৌরিফুলের মর্ম তুমি –সম্পূর্ণ
সেদিন সন্ধ্যায়
সে দিন সন্ধ্যায় আমি ফিরে এসেছি তোমার কাছ থেকে।একবুক শূন্যতা নিয়ে ফিরে এসেছি এই পথসম্পূর্ণ
কাঙালের দেবী
যার কেউ নাই তার আল্লা থাকে।আমার আল্লা ছিল না,আমার ছিলা তুমি। তোমারে আমি দেবী ডাকিসম্পূর্ণ
নাম দেয়া হয়নি যে সন্তানদের
মনে মধ্যে বইতে থাকা অসুখের খবর প্রচারিত হয় না মুখে,আমি বলি কি, একবার;হ্যাঁ, কেবল মাত্রসম্পূর্ণ











