অন্তিম সঙ্গম
মানুষ ও প্রকৃতির এত রঙ দেখে, আমি আজ ভীষন রুক্ষ অর্বাচীন! ক্লান্ত আমার ভ্রুক্ষেপহীন প্রতিটাসম্পূর্ণ
মানুষ ও প্রকৃতির এত রঙ দেখে, আমি আজ ভীষন রুক্ষ অর্বাচীন! ক্লান্ত আমার ভ্রুক্ষেপহীন প্রতিটাসম্পূর্ণ
আজ শহরে একটা মিছিল বের হয়েছিল, সেই মিছিল শেষে রাজপথ থেকে কুড়িয়ে পাওয়া একটি গোলাপসম্পূর্ণ
আমি ভাল নেই রুপঞ্জীল,একা একা ভাল থাকা যায় না।তোমারও খারাপ থাকা উচিৎ! ফিরে এসো আমারসম্পূর্ণ
আমার কথা কি তোর মনে পড়েনা—বউ?চাঁদনি-পসর রাইতে তোর কথা মনে পড়লে আমার বুকের পশম চিক্কুরসম্পূর্ণ
অযুত কাল যাবৎ, কারো অপেক্ষায় সশ্রদ্ধাভরে— দন্ডায়মান এক সিদ্ধপুরুষ। যা ভেবেছিলাম,দুহিতা সিংহল- দ্বীপের চেয়েও—অনেক নিরুপম।সম্পূর্ণ
মধুমাস পেরিয়ে,ক্লেশে ভারাতুর হয়ে—তোমার সাথে শ্যাষ দেখা!তোমার উদ্যত পা,আমার উরুতে রেখে—যে পায়েল পড়িয়েছিলাম;আজ তা নেই।সম্পূর্ণ
আমি এক অনবরত পর্যটনকারী ভিক্ষু, যে কিনা বিবাগী হয়ে তোমার চোখে খুঁজে ফিরি—নীল রুপসাগর। সময়েরসম্পূর্ণ
তোমার লালার মতোন আঁঠালো জোৎস্নায়- আমরা নেবে পড়ি,চাঁদ এসে থালা ভরে ঢেলে দেয় রঙ- দ্যাখো!সম্পূর্ণ
একবিংশ শতাব্দীর কবিতার ষড়যন্ত্রকেঁড়ে নিয়েছে প্রেমিকার ঠোঁটের চুমু।কেড়ে নিয়েছে নির্ঘুম প্রেমিকের প্রেম বার্তা,উপহার স্বরূপ জমাটবদ্ধসম্পূর্ণ
স্পর্শের আড়ালে লুকিয়ে,তোমায় কামুক উন্মাদায় মিশে উৎকর্ষ,সিমাহীন অন্তরায় বাহুবাঁধন মিলিয়ে যায়সৃষ্টির রহস্যে। দু-এক করে শারীরীকসম্পূর্ণ