রাস্তার প্রতিটা দেয়ালে কবিতা হতো
প্রেমিক তার প্রেমিকার; সম্পর্কের বিচ্ছেদ বহুদূর
নীল শাড়ি পরে কেউ পার্কে ঘোরে; প্রেমিকেরা পাঞ্জাবি
দামি রেস্টুরেন্টের বদলে পার্ক
ছোলা বুট আর বাদাম চলে।সম্পূর্ণ

কেউ ভালো নেই। নেই সাধারণ থেকে অসাধারণ
নেই রাজা থেকে রাজনৈতিক ; ভালো নেই ভিক্ষুক
দশ তালা ফ্লাটের মালিক। রোদ! কাউকেই ছাড়েনা।
শুধু এসির নিচে বসে লাট সাহেব জানেনা; রোদের কি জ্বালা।সম্পূর্ণ

একটা আকাশ থাক শুধু
আর আমন্ত্রণ নয় , মুঠো মুঠো বিষাদ ছড়িয়ে
হুমড়ি খেয়ে পড়ি
একটা বিকেল দেবে আমায়
সন্ধ্যা হতে পারলাম না বলে
আমায় ক্ষমা কোর নক্ষত্ররা, কিছু বলার আছে
মধ্যযামে বলে যাব সবটাই
আজ নয় দূর থেকেই, হাওয়ায় তোমার
উড়ে যাচ্ছে ঘোমটা আর ঘরময়
লাল পেয়ে দাগটায় আমি
চেপে ধরেছি ফুলস্কেপ
যে কাগজে হাত চেপে দিয়েছিলে শৈশব
আজ তার ওপরেই তোমার গোটা
মূর্তিটা পরেছে ছবির আদলে।
শেষ হুইসেলটা বাজেনি এখনও
এই প্লাটফর্ম ছেড়ে চলে গেছে
যে যার মর্জিমতো –
একটা ছায়া পাক খাচ্ছে চতুর্দিকে
শনশন উড়ছে চৈত্রের হাওয়া, যাবার আগে
আমার সব দিয়ে যাব তোমায়
আমার কানটানা ঝুমকো , বেলোয়ারি চুড়ি
তিনশো ছেষট্টি শাড়ির দেরাজে
তেজপাতা রংয়ের শাড়িটাও – তুমি সাজো
সাজো তুমি |

আমি পৃষ্ঠা জুড়ে তোমার সুখের ছবিটা
আঁকতে চাই ভীষণ রকম |

সম্পূর্ণ

বেঁচে থাকার আকুলতায়
পথ হতে ঘাটে
নদী ও নদে; সিমেন্টের বিষাক্ত দেয়াল
অথবা প্রেমিকার মনে গজায় শিকর।
শুধুই সামান্য ঠাই চাই
এক বিন্দু বাসযোগ্য যায়গা চাই
চাইনা আর কিছু নিজের অস্তিত্ব ছাড়া।সম্পূর্ণ

সেই মোক্ষ পাই
মৃত্যু তামাশা থাক
ক্ষয় ক্ষতি আরও। প্রতি পলে
খসে যাক গ্রন্থিছাপ, রক্তগ্রুপ পূর্বাপর
এ ঘোর কলি নৈরাজ্য স্থলে
নিবেদিত শ্বাসটুক সত্যি শুধু, এস নাও
পেতে দাও নিসর্গ আঁচল
নর আর নারী হই প্রাগ ও প্রাচীন
ধ্বংসের অশ্রুতলে আবারো ঐহিক
কাঙ্খিত শিশু চাই
ভবিতব্য দেব ওকে,দৈর্ঘ্য প্রস্ত মেপে
সম্পূর্ণ

আমি অবুঝ মানব সারাজীবনই করেছি ভূল
স্বভাবে স্বজ্ঞানে ও আবেগে; তাই ভূল হতে বাঁচতে শেষ ভূলকেই করব কবুল
তাই এই শেষ রাতে স্বপ্নগুলো ছিঁড়ছি অবিরত
নিচ্ছি বিদায় তুমি তোমার তাদের থেকে,
কিছু ঋণ রেখে গেলাম সবার তরে, মনে রেখো এই অবুঝ চণ্ডালকে
মনে থাকাই যে আসল বাঁচা এ অধমের কাছে।সম্পূর্ণ