শরিরী গন্ধ
ছোট্ট গহব্বরে ক্রমশ ডুবছে নীল জোৎস্না
পৃথিবীর সব অন্ধকার মুছে দিয়ে
চোখ দুটো বেঁচে থাকে জন্মবীজ প্রান্তরে…সম্পূর্ণ
রূপক অর্থে লিখা কবিতাসমূহ
ছোট্ট গহব্বরে ক্রমশ ডুবছে নীল জোৎস্না
পৃথিবীর সব অন্ধকার মুছে দিয়ে
চোখ দুটো বেঁচে থাকে জন্মবীজ প্রান্তরে…সম্পূর্ণ
শহরে অস্তিত্বের নিস্তব্ধতা হাহাকারে যান্ত্রিক বিভীষিকা কুকরে খাচ্ছে বিবেকের মগজ, শরীর বোঝাই পশুত্ত্বে। রাজত্ত্বে ভিসুভিয়াসেরসম্পূর্ণ
মনের গভীরেও আজ বাদামী অসুখ,
প্রেমহীন! শব্দে শিহরণ নেই…
মৃত্যুর খুব কাছাকাছি থেকে এসে
দুঃখরা সব গল্প জুড়ে দেয়!
সম্পূর্ণ
সময়ের খোসাবেধ করে বেরিয়ে আসে
গোখরো পরাণ, করাঘাতে ঝাঁজরি ছুটে,
রঙ্গমহলে সঙ্গমরত নটকীর নাট্যশালা
আয়নায় ভেসে উঠে শৃগালের প্রতিবিম্ব!
সম্পূর্ণ
প্রায়শ স্বপ্নের ভেতর
কালো গোখরাটি ঘুরেফিরে আসছে,
মাঝেমাঝে গোঙানো শব্দসংক্রমে
রাত হয়ে যায় অচেনা কোনো গ্রহ।সম্পূর্ণ
বারুদের গন্ধ ধেয়ে আসে
তিতকুটে এবং ঝাঁজালো
সিংহ ও বারুদের উদ্ভট সমীকরণও চলছে!
ঘেউঘেউ কুৎসিত শব্দগুলো
তখন লাফাচ্ছে অনর্গলসম্পূর্ণ
ধূর্মুশপেটা হচ্ছে চেতনাবাহী পতাকা!
একদল কাকপক্ষীর মিছিল,ক্যঁ ক্যঁ ক্যঁ এগিয়ে আসছেসম্পূর্ণ
কেবলি একখন্ড মাটিতে শুয়ে আছি, সবুজ ঘাস নেই, মাদুর নেই এই মাটি নীরব,হিমশীতল একটিও ঘড়িসম্পূর্ণ