নন্দি আমার বন্দি!
বন্য জীবন ধন্য হবে মেনে, দৃষ্টি চোখের মিষ্টি ছিলো কৃষ্টি পথে ছেনে। রুদ্ধ হলে পণসম্পূর্ণ
রূপক অর্থে লিখা কবিতাসমূহ
বন্য জীবন ধন্য হবে মেনে, দৃষ্টি চোখের মিষ্টি ছিলো কৃষ্টি পথে ছেনে। রুদ্ধ হলে পণসম্পূর্ণ
বহুদিন আগে রাজা রাজ্যেয় এলাম জারি করে, রাজ্যের যতো জ্ঞানীগুণীই আসে রাজার তরে। রাজা মশাইসম্পূর্ণ
নীল অদৃশ্য পারাপারে নগ্ন স্পর্শ….
নিমগ্ন অন্তরাত্মায় জেগে ওঠে প্রকৃতি,
আদিম শোকার্যে প্লাবিত দু-চোখ!
সম্পূর্ণ
উপপ্লাবী বাসনায় কেউকেউ বিষম বিভ্রাটে
কেউবা বিবর্ণ পুতুলের মতোই নাচে!
এখানে, এই মুল্লুকে নতুন সূত্রে তেভাগা জোয়ার জাগে….সম্পূর্ণ
ত্রিকাল-অপরাহ্নের মেঘ লুটে পড়ে শরীরে,
বারান্দা অবধি হেলে পড়ে জটিল জন্মান্তর পটভূমি।সম্পূর্ণ
এই পথটা অনেক দূর পর্যন্ত গিয়ে ঠেকেছে
বাল্মিকির যেখানে শুরু হয়তোবা সেখানে
উত্তরের স্রোতধারাটাও সামন্তদের
ঠিক চৌকোনাটায় আটকে গেছে হয়তোবা!সম্পূর্ণ
আমাদের নিগূঢ় বন্দরে সন্তপ্ততার লেলিহান—
প্রেমদৃঢ়তাই প্রতীক্ষার নিবেদনে ঢেউয়ে উড়াচ্ছি বেদনার বিলাপ।
সবকটি নোঙ্গর ছেড়ে যাচ্ছে শোকের ব্যানারের মত অঘোর মাস্তুল
যেন সর্বনাশের পয়গাম রেখে যেতে চাই অগ্র-প্রদোষে।
সীমান্ত ডুবে যায় সীমান্তে!সম্পূর্ণ
আমাকেই ভেবে গাঁথবে না বলে তৃষিত কথার মালা, ঘুমালে কি সুরবালা! কুলু কুলু রবে এঁকেসম্পূর্ণ
——————————————– পৃথিবীর বুকেপিঠে হাঁটছি, কখনো চিরহরিৎ, কখনো অন্ধকারাবৃত… গভীরতম কোনো দর্শনের কথা শোনা যায়, মানুষগুলোসম্পূর্ণ
আমি কবি, আমি সেই কবি যে কবিতার ছন্দ,তাল,লয় অলঙ্কার কিছুই জানি না। তবুও কবিতা লেখারসম্পূর্ণ
রাত্রিতে ব্যাধিঘোরে জন্ম নেয় মৃত জোৎস্না, আকাশে জমেছে ময়লার স্তুপ, ভস্মের ভিতরে জন্ম নেয় পাপগ্রস্ত কালোচিতা! উপদ্রুত উপকূল পেরিয়ে-বিস্তীর্ণ প্রান্তরে লেগেছে মড়ক!
সম্পূর্ণ
আমি আকাশ হতে চাই, আমি ওর মতো উদার হতে চাই। আমি আকাশ হতে চাই, আমিসম্পূর্ণ