মুক্তবাজার
মাধবীর মুখ কিংবা সহস্রাব্দের আলোর বিপরীতে
এখন দেশজুড়ে ঘুরঘুট্টি অন্ধকার,
তামাটে চোখে দেখছি-
পরিকীর্ণ শেয়ালের মুখমন্ডল!সম্পূর্ণ
রূপক অর্থে লিখা কবিতাসমূহ
মাধবীর মুখ কিংবা সহস্রাব্দের আলোর বিপরীতে
এখন দেশজুড়ে ঘুরঘুট্টি অন্ধকার,
তামাটে চোখে দেখছি-
পরিকীর্ণ শেয়ালের মুখমন্ডল!সম্পূর্ণ
তখনো উন্মত্ত কীর্তিনাশায় জ্বলজ্বল করে
জ্বলছিলো তোমার দুটি চোখ!
সূর্যের লোলুপ দৃষ্টি এরিয়ে ঝড়ের বেগে
আমিও ছুটে গেলাম,
কুমারীর পবিত্র সত্তাকে রক্ষা করবো বলে!
পুনশ্চঃ গিয়েসম্পূর্ণ
শিল্পহীন-আদিম উল্লাসে ভিজে বুকের তলা।
এই যেনো এক অশুচি রক্তের মিশেলে
বয়ে চলা পক্ষাঘাতগ্রস্ত সময়।সম্পূর্ণ
তোমার বক্ষপিঠে ছড়িয়ে থাকে
স্বর্গ ভূমি স্ফীত উরু কেশ
তুমি এমনই এক মিথ্যেবাদী
এক বোতল মদের দামে বিক্রি করো দেশ। সম্পূর্ণ
নিস্পন্দ হয়ে পড়ছে বিকেল বেলার গল্প,
বসন্তদিনের কৃষ্ণচূড়া, পাখির শিস।
এরইমধ্যে আমি ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছি কলম,
কবিতার পাণ্ডুলিপি এবং সূর্যাস্তের সমস্ত চিহ্ন!সম্পূর্ণ
আমি তারপরও সে কান্না দেখতে থাকি,
এত মনোযোগ দিয়ে শেষ কবে কোনোকিছু দেখেছি
বলতে পারবো না।
জড়িয়ে ধরা মানুষটা, অনবরত তার পিঠ চাপড়ে দিচ্ছে,
ভেজাচ্ছে তার কাঁধ।
ঠিক সেই মুহূর্তে দেখা মিললো,
গড়িয়ে পরলো জল,আমার চোখ থেকে।
আমি কিংবা আমার চোখের সীমানা,
এবার আর বাধা দিলো না।সম্পূর্ণ
অসময়ের বৃষ্টি অসময়ের বৃষ্টি নেমেছে- বিবর্তনের আভাস দিয়ে শীতের এক স্তব্ধ রাতে আকাশ ভেজা কান্নাসম্পূর্ণ
অন্তর্দৃষ্টিতে দেখি আমি কৃষ্ণগহ্বরে আলো
অন্ত্যজ মানুষ মাঝে রোজ খুঁজে পাই ভালো।সম্পূর্ণ
যার যার ধর্ম তার তার মত মসজিদ, মন্দির, গির্জায়, প্যাগোডায় গিয়ে তুমি দেখো যার যারসম্পূর্ণ
অস্তিত্ব মম জীবনের এই ছোট্ট খাঁচায় বিরাট এক মস্ত বাঁধন, অস্তিত্বের পরিহাসে- জীবনটা আজ অচল।সম্পূর্ণ
কোকিলের কুহু বসন্ত আজ প্রকাশ পায় না এই শহরের বুকে, কোকিলের সেই কুহু তানটা আজসম্পূর্ণ
কুয়াশায় ঢেকে গেছে কাছের আকাশ ,
বরফজলে সদ্য প্রয়াত নগরীদিবস,
শানিত মৃত্যুশব্দ আসার আগে তুমি এলে,
হাতে নিয়ে রক্তমাখা নতুন গোলাপ ।