তখনো উন্মত্ত কীর্তিনাশায় জ্বলজ্বল করে
জ্বলছিলো তোমার দুটি চোখ!
সূর্যের লোলুপ দৃষ্টি এরিয়ে ঝড়ের বেগে
আমিও ছুটে গেলাম,
কুমারীর পবিত্র সত্তাকে রক্ষা করবো বলে!

পুনশ্চঃ গিয়েসম্পূর্ণ

নিস্পন্দ হয়ে পড়ছে বিকেল বেলার গল্প,
বসন্তদিনের কৃষ্ণচূড়া, পাখির শিস।
এরইমধ্যে আমি ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছি কলম,
কবিতার পাণ্ডুলিপি এবং সূর্যাস্তের সমস্ত চিহ্ন!সম্পূর্ণ

আমি তারপরও সে কান্না দেখতে থাকি,
এত মনোযোগ দিয়ে শেষ কবে কোনোকিছু দেখেছি
বলতে পারবো না।
জড়িয়ে ধরা মানুষটা, অনবরত তার পিঠ চাপড়ে দিচ্ছে,
ভেজাচ্ছে তার কাঁধ।
ঠিক সেই মুহূর্তে দেখা মিললো,
গড়িয়ে পরলো জল,আমার চোখ থেকে।
আমি কিংবা আমার চোখের সীমানা,
এবার আর বাধা দিলো না।সম্পূর্ণ

এখন আমার ফোনে শতসহস্র নম্বর,অনেক
তবুও হাতে গোণা দু চারটে নম্বর ছাড়া কেউ ফোন করে না।
হয়তো প্রয়োজন নেই,নয়তো তাদের কোনো কাজে আসবো না আমি,সে জন্য!
কিংবা ব্যস্ততার ছদ্মবেশ।সম্পূর্ণ