নগ্নতায় ডুবে যায়
ত্রিকাল-অপরাহ্নের মেঘ লুটে পড়ে শরীরে,
বারান্দা অবধি হেলে পড়ে জটিল জন্মান্তর পটভূমি।সম্পূর্ণ
রূপক অর্থে লিখা কবিতাসমূহ
ত্রিকাল-অপরাহ্নের মেঘ লুটে পড়ে শরীরে,
বারান্দা অবধি হেলে পড়ে জটিল জন্মান্তর পটভূমি।সম্পূর্ণ
এই পথটা অনেক দূর পর্যন্ত গিয়ে ঠেকেছে
বাল্মিকির যেখানে শুরু হয়তোবা সেখানে
উত্তরের স্রোতধারাটাও সামন্তদের
ঠিক চৌকোনাটায় আটকে গেছে হয়তোবা!সম্পূর্ণ
আমাদের নিগূঢ় বন্দরে সন্তপ্ততার লেলিহান—
প্রেমদৃঢ়তাই প্রতীক্ষার নিবেদনে ঢেউয়ে উড়াচ্ছি বেদনার বিলাপ।
সবকটি নোঙ্গর ছেড়ে যাচ্ছে শোকের ব্যানারের মত অঘোর মাস্তুল
যেন সর্বনাশের পয়গাম রেখে যেতে চাই অগ্র-প্রদোষে।
সীমান্ত ডুবে যায় সীমান্তে!সম্পূর্ণ
আমাকেই ভেবে গাঁথবে না বলে তৃষিত কথার মালা, ঘুমালে কি সুরবালা! কুলু কুলু রবে এঁকেসম্পূর্ণ
——————————————– পৃথিবীর বুকেপিঠে হাঁটছি, কখনো চিরহরিৎ, কখনো অন্ধকারাবৃত… গভীরতম কোনো দর্শনের কথা শোনা যায়, মানুষগুলোসম্পূর্ণ
আমি কবি, আমি সেই কবি যে কবিতার ছন্দ,তাল,লয় অলঙ্কার কিছুই জানি না। তবুও কবিতা লেখারসম্পূর্ণ
রাত্রিতে ব্যাধিঘোরে জন্ম নেয় মৃত জোৎস্না, আকাশে জমেছে ময়লার স্তুপ, ভস্মের ভিতরে জন্ম নেয় পাপগ্রস্ত কালোচিতা! উপদ্রুত উপকূল পেরিয়ে-বিস্তীর্ণ প্রান্তরে লেগেছে মড়ক!
সম্পূর্ণ
আমি আকাশ হতে চাই, আমি ওর মতো উদার হতে চাই। আমি আকাশ হতে চাই, আমিসম্পূর্ণ
মাধবীর মুখ কিংবা সহস্রাব্দের আলোর বিপরীতে
এখন দেশজুড়ে ঘুরঘুট্টি অন্ধকার,
তামাটে চোখে দেখছি-
পরিকীর্ণ শেয়ালের মুখমন্ডল!সম্পূর্ণ
তখনো উন্মত্ত কীর্তিনাশায় জ্বলজ্বল করে
জ্বলছিলো তোমার দুটি চোখ!
সূর্যের লোলুপ দৃষ্টি এরিয়ে ঝড়ের বেগে
আমিও ছুটে গেলাম,
কুমারীর পবিত্র সত্তাকে রক্ষা করবো বলে!
পুনশ্চঃ গিয়েসম্পূর্ণ
শিল্পহীন-আদিম উল্লাসে ভিজে বুকের তলা।
এই যেনো এক অশুচি রক্তের মিশেলে
বয়ে চলা পক্ষাঘাতগ্রস্ত সময়।সম্পূর্ণ
তোমার বক্ষপিঠে ছড়িয়ে থাকে
স্বর্গ ভূমি স্ফীত উরু কেশ
তুমি এমনই এক মিথ্যেবাদী
এক বোতল মদের দামে বিক্রি করো দেশ। সম্পূর্ণ