কতিপয় অজগর সাপ
ড্রামে ড্রামে নির্গত হয় দুর্গন্ধজাত শকুনের বীর্য,
স্বদেশের জঠরভেদ করে বেড়ে উঠে অজস্র অজাত,কুজাত।সম্পূর্ণ
রূপক অর্থে লিখা কবিতাসমূহ
ড্রামে ড্রামে নির্গত হয় দুর্গন্ধজাত শকুনের বীর্য,
স্বদেশের জঠরভেদ করে বেড়ে উঠে অজস্র অজাত,কুজাত।সম্পূর্ণ
লাউডস্পিকারে ঘোষণা হচ্ছে, “সুপ্রিয় যাত্রী সাধারন বৃন্দের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে, অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই আমরাসম্পূর্ণ
কোনো এক কাকডাকা ভোর, শহরের নিস্তব্ধতা ভেঙে এক ঝাঁক অস্পষ্টতা এলো তোমাদের জীবনে, ঘুমন্ত শিশুরসম্পূর্ণ
বাইরের দেয়াল ভেদ করে বেড়ে ওঠা একটা ফার্ণ কিংবা ভেতরের দেয়ালের ধূলোজমা অরণ্যের ফটোগ্রাফ বুকেরসম্পূর্ণ
তুমি ছিলে আমার স্বপ্নের অনুভূতির নিসর্গের মাঝে
জ্যোতির্ময় আলো ছুঁয়ে যায় কোমল শিশিরের জলে;
আমার উপলব্ধিময় ভাবনার কম্পিত স্নিগ্ধময় ঠোঁটে,
স্বপ্নের সেই সিঁড়ি রূপান্তরিত হ’য়ে উ’ঠে গভীর নীলে
নিস্তব্ধতার আলোছায়া রৌদ্রজ্জ্বল বিস্ময়ের দিকে ছোটে
সম্পূর্ণ
তোমার সৌন্দর্যে সবাই হারালো নিজেকে; তু’লে নিল প্রচলিত বিধি যা পুষ্পময় ক’রে রেখেছিল তাদের গভীরসম্পূর্ণ
ঘন সন্ধ্যায় সেই আলোও যেন ফুরিয়ে যায় চোখের কোণ থেকে কয়েক মুহূর্তে,চেয়ে থাকি রুপালি চাঁদের দিকে, ক্লান্ত চোখে, গেঁথে থাকা সেই আলোর জন্য, নিস্তব্ধ আর কোমল হ’য়ে আসা আমার সমস্ত ভাবনার রাজ্যেয় তাকেই আপন ক’রে
সম্পূর্ণ
সন্ধ্যায় আমার এখানে তুমি আসোনি;
আসতে যদি তাহ’লে দু’জনে বসে কফির পেয়ালায়
মুখ রাখতাম আর শব্দমালায় ভরিয়ে তুলতাম বিস্ময়কর অন্তরঙ্গ সম্পর্ক;
অন্ধকারে অন্তরালে হৃদয়ের নিরন্তর নিঃশব্দে কোমল ঠোঁটের কোণে;
যা মিশে যেত মেঘমালায়, আশ্বিনের বাতাসে, লাল মেঘে নিস্তব্ধ
জ্যোৎস্নার ছায়ায়, শিশিরের প’রে
সম্পূর্ণ
জোস্নার কোমল আলোয়, আপন মনে, কখনও আমাকে ছেঁড়ে চলে যায় দূরে; মিষ্টি রোদের পরম ছোঁয়া পেতে গভীর নির্জনে; হারানো পথে, সৌন্দর্যে গেঁথে থাকে অতন্দ্রিত রাত; চক্ষুজুড়ে আলো আঁধারে মিশে থাকে লাল নীল কুয়াশা, সবুজ ঘাসের সৌন্দর্য অলৌকিকতায় বেজে উ’ঠে আপন কণ্ঠস্বরে, নীল জলে শত স্নিগ্ধ প্রজাপতি উ’ড়ে যায় আমার বাহুতলে, একগুচ্ছ সবুজ উদ্ভিদে জন্ম নেয় আমার রচিত কাব্য ভালবাসার ভিন্নরূপে; পরম সম্পর্ক মুছে যায় মুহূর্তে,
সম্পূর্ণ