এই যেনো নীল অন্ধকার, মহাভৈরবীর অন্ধরমহল!
দুঃস্বপ্নের মূর্তিগুলো লোলজিহবা প্রসারিত করে শুষে নেয়
প্রেমিকার জঠরে বেড়ে উঠা প্রতিধ্বনিসম্পূর্ণ

শিশিরের ছোঁয়ায়, শব্দহীন রচিত আমার সকল পদ্য, তীব্র আবেগে আঙুলে ছুঁয়ে যা ভোরের বাতাস, স্বরহীন আমার কণ্ঠ থেকে ঝ’রে প’ড়ে মৌলিক শব্দমালা অবিরত; স্তব্ধতায় মিশে যায় সৌন্দর্যের সকল অর্থ জলের শব্দের মতো কেঁপে-কেঁপে, চোখের ভিতর লুকিয়ে রাখি জ্যোতির্ময় প্রোজ্জ্বলিত সেই ভাবনা, যা অমল ঠোঁটে
সম্পূর্ণ

কোলাহলময় রূপ যৌবন ফিরে পেলো উদ্বেলিত মাঠ!
ঘোষিত ইশতেহারের পাতাগুলো-সমবেত মানুষের উষ্ণ আলিঙ্গন ছুঁয়ে……
পূর্ব দিগন্তে ফুটে উঠা আলোকরেখা-ক্রমশ উজ্জ্বল হতে হতে পশ্চিমের কুলে রংধনু জড়ালো।সম্পূর্ণ