এ কি ঘনঘোর!
হয়েছে হলুদ ঘাস বাঁ পাঁজরে ম্লান ঝলকে পড়ে না আর সোহাগিনী যমুনার জল, খুঁজতে গেলেওসম্পূর্ণ
রূপক অর্থে লিখা কবিতাসমূহ
হয়েছে হলুদ ঘাস বাঁ পাঁজরে ম্লান ঝলকে পড়ে না আর সোহাগিনী যমুনার জল, খুঁজতে গেলেওসম্পূর্ণ
প্রতি জনে জাগে নিজস্ব সত্তা ভাবে মন আমিই একক, আমি অদ্বিতীয়, দৃপ্ত উচ্চারণ আমি ঘৃণাসম্পূর্ণ
অশরীরি মাঝেমধ্যে হাত, পা গুলো নাড়াচাড়া করে, হৃদকম্পন বেড়ে যায়।
এরমধ্যে বুদ্ধদেব হাজির হয় একখানা কবিতা নিয়ে, প্রেম জাগাতে চাইসম্পূর্ণ
এই যেনো নীল অন্ধকার, মহাভৈরবীর অন্ধরমহল!
দুঃস্বপ্নের মূর্তিগুলো লোলজিহবা প্রসারিত করে শুষে নেয়
প্রেমিকার জঠরে বেড়ে উঠা প্রতিধ্বনিসম্পূর্ণ
আমরাও গায়ের চামড়াগুলো
গণ্ডারের সংস্করণে মুড়িয়ে নিচ্ছি-
কেননা ইতরশ্রেণীর প্রাণীগুলো আমাদের সহজাত!সম্পূর্ণ
শান্ত নদী চলে যাচ্ছে দূরে, গাছেরা চেয়ে আছে জলে, ক্ষুধার্ত ভোদর চরে গিলেছে দুপুর- বালিকারসম্পূর্ণ
শিশিরের ছোঁয়ায়, শব্দহীন রচিত আমার সকল পদ্য, তীব্র আবেগে আঙুলে ছুঁয়ে যা ভোরের বাতাস, স্বরহীন আমার কণ্ঠ থেকে ঝ’রে প’ড়ে মৌলিক শব্দমালা অবিরত; স্তব্ধতায় মিশে যায় সৌন্দর্যের সকল অর্থ জলের শব্দের মতো কেঁপে-কেঁপে, চোখের ভিতর লুকিয়ে রাখি জ্যোতির্ময় প্রোজ্জ্বলিত সেই ভাবনা, যা অমল ঠোঁটে
সম্পূর্ণ
কোলাহলময় রূপ যৌবন ফিরে পেলো উদ্বেলিত মাঠ!
ঘোষিত ইশতেহারের পাতাগুলো-সমবেত মানুষের উষ্ণ আলিঙ্গন ছুঁয়ে……
পূর্ব দিগন্তে ফুটে উঠা আলোকরেখা-ক্রমশ উজ্জ্বল হতে হতে পশ্চিমের কুলে রংধনু জড়ালো।সম্পূর্ণ
ভোরের স্তব্ধতা ডিঙ্গিয়ে ব্যাপ্ত নক্ষত্রের সুবিশাল তরঙ্গে ঈশ্বরের খোঁজে.….
এই অধম- নারকীয় অন্ধকার সইবনা, বুকে বাজুক আলোর সাইরেন।সম্পূর্ণ
ছদ্মবেশে বিষদৃষ্টি ঢেলে দিয়ে বিষ্ঠাত্যাগ করে শকুনীর দল,
পাপচুম্বনে জরাগ্রস্ত এই শহরে ছড়িয়ে পড়ে বিষাক্ত ভাইরাস….
সম্পূর্ণ