ডুবে যাওয়া চাঁদের ছায়া
তোমার সৌন্দর্যে সবাই হারালো নিজেকে; তু’লে নিল প্রচলিত বিধি যা পুষ্পময় ক’রে রেখেছিল তাদের গভীরসম্পূর্ণ
রূপক অর্থে লিখা কবিতাসমূহ
তোমার সৌন্দর্যে সবাই হারালো নিজেকে; তু’লে নিল প্রচলিত বিধি যা পুষ্পময় ক’রে রেখেছিল তাদের গভীরসম্পূর্ণ
ঘন সন্ধ্যায় সেই আলোও যেন ফুরিয়ে যায় চোখের কোণ থেকে কয়েক মুহূর্তে,চেয়ে থাকি রুপালি চাঁদের দিকে, ক্লান্ত চোখে, গেঁথে থাকা সেই আলোর জন্য, নিস্তব্ধ আর কোমল হ’য়ে আসা আমার সমস্ত ভাবনার রাজ্যেয় তাকেই আপন ক’রে
সম্পূর্ণ
সন্ধ্যায় আমার এখানে তুমি আসোনি;
আসতে যদি তাহ’লে দু’জনে বসে কফির পেয়ালায়
মুখ রাখতাম আর শব্দমালায় ভরিয়ে তুলতাম বিস্ময়কর অন্তরঙ্গ সম্পর্ক;
অন্ধকারে অন্তরালে হৃদয়ের নিরন্তর নিঃশব্দে কোমল ঠোঁটের কোণে;
যা মিশে যেত মেঘমালায়, আশ্বিনের বাতাসে, লাল মেঘে নিস্তব্ধ
জ্যোৎস্নার ছায়ায়, শিশিরের প’রে
সম্পূর্ণ
জোস্নার কোমল আলোয়, আপন মনে, কখনও আমাকে ছেঁড়ে চলে যায় দূরে; মিষ্টি রোদের পরম ছোঁয়া পেতে গভীর নির্জনে; হারানো পথে, সৌন্দর্যে গেঁথে থাকে অতন্দ্রিত রাত; চক্ষুজুড়ে আলো আঁধারে মিশে থাকে লাল নীল কুয়াশা, সবুজ ঘাসের সৌন্দর্য অলৌকিকতায় বেজে উ’ঠে আপন কণ্ঠস্বরে, নীল জলে শত স্নিগ্ধ প্রজাপতি উ’ড়ে যায় আমার বাহুতলে, একগুচ্ছ সবুজ উদ্ভিদে জন্ম নেয় আমার রচিত কাব্য ভালবাসার ভিন্নরূপে; পরম সম্পর্ক মুছে যায় মুহূর্তে,
সম্পূর্ণ
ছোট্ট গহব্বরে ক্রমশ ডুবছে নীল জোৎস্না
পৃথিবীর সব অন্ধকার মুছে দিয়ে
চোখ দুটো বেঁচে থাকে জন্মবীজ প্রান্তরে…সম্পূর্ণ
শহরে অস্তিত্বের নিস্তব্ধতা হাহাকারে যান্ত্রিক বিভীষিকা কুকরে খাচ্ছে বিবেকের মগজ, শরীর বোঝাই পশুত্ত্বে। রাজত্ত্বে ভিসুভিয়াসেরসম্পূর্ণ
মনের গভীরেও আজ বাদামী অসুখ,
প্রেমহীন! শব্দে শিহরণ নেই…
মৃত্যুর খুব কাছাকাছি থেকে এসে
দুঃখরা সব গল্প জুড়ে দেয়!
সম্পূর্ণ
সময়ের খোসাবেধ করে বেরিয়ে আসে
গোখরো পরাণ, করাঘাতে ঝাঁজরি ছুটে,
রঙ্গমহলে সঙ্গমরত নটকীর নাট্যশালা
আয়নায় ভেসে উঠে শৃগালের প্রতিবিম্ব!
সম্পূর্ণ
প্রায়শ স্বপ্নের ভেতর
কালো গোখরাটি ঘুরেফিরে আসছে,
মাঝেমাঝে গোঙানো শব্দসংক্রমে
রাত হয়ে যায় অচেনা কোনো গ্রহ।সম্পূর্ণ