শপথ করেছিলাম
এ কেমন তাহার ভালবাসা আমাকে নিঃশেষ করে দিয়ে প্রতিজ্ঞায় আবদ্ধ করে নিরবে সংসার করছে। ভাবিনিসম্পূর্ণ
প্রেম ভালোবাসা আবেগ এবং অনুভূতির কবিতা।
এ কেমন তাহার ভালবাসা আমাকে নিঃশেষ করে দিয়ে প্রতিজ্ঞায় আবদ্ধ করে নিরবে সংসার করছে। ভাবিনিসম্পূর্ণ
এখনও তোমাকে দেখি টলটলে খালে লহরির সাজে চুল মৃদু বায়ে দুলে করে খেলা, লাজুক বদনেসম্পূর্ণ
আমি লেক লুইস আলবাট্রা দেখিনি দেখিনাই তার স্বচ্ছ পানি ও পাড়ের পাথরের সৌন্দর্যগুলো আমি দেখিনিসম্পূর্ণ
নিজেকে ভালোবাসা দিলে
হারিয়ে যাওয়া মেঘের দুয়ারে ,তাঁকে ভয় পাওয়া নয়।
হাতের সভ্যতা বিবর্তন রেখা
বিষ দাঁত দমিয়ে রাখে
যাকে দগ্ধতা বলে , তা কিছু নয়
ভালোবাসা যাকে মৃত্যু দিতে পারে না
আগুন যাকে পোড়াতে পারে না
তেমন মানুষ কেউ থাকে না !
সম্পূর্ণ
গড়ে ওঠা অভ্যেসটাকে
আছড়ে দুমড়ে মুড়িয়ে পাল্টে
দেওয়া হল –
নিষেধাজ্ঞার নোটিশ টাঙিয়ে
রাখা হল রুটিনের
পাশাপাশি, যাপন শেষের
পরিক্রমাগুলো রইল
আক্ষেপের বিষয়ভুক্ত হয়ে !সম্পূর্ণ
নিশীথ নীরব জানি, ঝাঁকরা মেঘেরা ডাকে শুধু, দূরে ঐ,কান পেতে শোনো জ্যোৎস্না খুলেছে বিনুনি, এসম্পূর্ণ
শুধু তোমাকে ভালোবাসবে বলে
বুকের ভেতর অন্ধকার জমিয়ে রেখেছি সহস্র বছর
ক্যাথলিক আর অর্থোডক্স,মন্দির কিংবা গির্জা সবই পেয়েছি তোমার ভেতর।
তোমার ইশারায় শশ্মানের উপর সমাধি হই,
ক্রাকডাউনের রাতে শব্দহীন নাগরিক হয়ে হেঁটে যাই তেমার গন্তব্যে।সম্পূর্ণ
ওই যে প্রান্তে পরন্ত বিকেলগুলো
গলে যায় জাহ্নবী জলে
সেইখানে, সেই দেশে চলো আজ
নেহাৎ হারিয়ে যেতে হলে
গায়ে বিঁধছে রোদের ফলা, দেখতে পেলাম ঝাউয়ের তলায় তুমি তখন চলেই যাচ্ছ নৌকা গেছে ছেড়েসম্পূর্ণ
ধরেছ দু হাত। আবছায়া রাত মুছছে অধীর আমার শরীর, তোমারও মুছুক আধখানা মুখ। পূর্ণ ওসম্পূর্ণ
কত টা পুড়ে ছাই হলে হাওয়া হবো; তার ঘ্রাণে মিশে যাব
দূরত্ব হবে দূর? অচেনা রই তবু কাছি থাকার সৌভাগ্য পাই
তাই আমি জ্বলতে ব্যস্ত; ভালোবাসাই কাচা পণ্য
প্রেটোলের প্রয়োজন নেই: আমার স্বপ্ন মেটাবে চাহিদা
তবু কাছে যাই। দেখা হোক প্রতিটা গলিতে
বাসে পাশের সীটে। ভয়ে অভিমানে অনুভবে। সম্পূর্ণ
না বলি, কেন বিদ্রোহ ডেকে আনে
সর্বহারাদের লাল পতাকা
যদি আমি সাবেক প্রেম নিবেদনের
বৃথা চেষ্টায় মেতে উঠি
খুঁজে পাবে কি আমাকে আমার মাঝে ?সম্পূর্ণ