আমি কেন রোবট হলাম
একটা কোলাহল, ভবঘুরে মোমপাখালীর ডানার মত সময় তখন, আমি অগণিত মানুষকে কবিতা ভেবে তাদের পড়তেসম্পূর্ণ
ঝরা শ্রাবণের বর্ষা
ভোর প্রভাতে সূর্য মৃদু, সবুজ ঘাসে পা দাঁড়িয়ে –
চেয়ে আছি নীল আকাশ পানে।
কালি ভরা মেঘ উড়ে যায় মাথার উপর..সম্পূর্ণ
জাতীয় স্বীকৃতি চাই
কাজী কবি –সাম্যের কবি তিনি জাতীয় কবি, তবুও আজো পাইনি কবি গেজেট ভাবে সবি। কবিসম্পূর্ণ
স্বগত ইশতেহার
এ্যাই রুদ্র, এ্যাই
প্রচন্ড হিমেল বাতাসে আমার হাত দুটি জমে বরফ হয়ে যাচ্ছে, কীভাবে লিখবো তোমাকে বলতো!!
ইচ্ছে করছে আমার বরফ ঠান্ডা শীতল হাত দুটি দিয়ে তোমার গাল দুটি স্পর্শ করে আসি। এই প্রথম তোমায় তুমি তুমি করে লিখছি। রুদ্র জানো, আমার না কেমন লজ্জা লজ্জা করছে এভাবে লিখতে…!!
আমি জানি,
এমন চিঠি আমি কখনো পাবো না! সম্পূর্ণ
ভেজা ভেজা দৃশ্য
প্রকৃতার্থে বৃষ্টি বলতে—
গরম জামার জীবন ছিন্নমূলের
বসতির খুঁটির পানে সালেহার
ম্লান কাঁপা কাঁপা দৃষ্টির বদলে
নিমের ডালের মতো স্থির চোখ
নিজের জন্য পূবের খোলা জানালা
আর শান্তির জন্য একটা সাঁওতালি খোয়াড়ে
ঘাস খাচ্ছে শুয়োর ছানারা; এমন কোনো দৃশ্যের জন্মলগ্নের পুঁথি শোনাতে চাই, সম্পূর্ণ
একজন বিপ্লবী প্রেমিক
নির্মলেন্দু গুণ, শত গুণে গুণান্বিত কাশবন থেকে বাংলাদেশ; না প্রেমিক না বিপ্লবী দৃষ্টিতে ফুটে উঠাসম্পূর্ণ
আমি দুধভাত
তোমার দুঃখ গুরুতর, আমার দুঃখ দুধভাত তোমার দুঃখ আকাশ ছোয়া আমার টা মাটি চাট তোমারসম্পূর্ণ
সৎ ও যোগ্য
মানলাম ভাই তুমি সৎ মহৎ ঘুষখোর না ঘুষ দিয়া চাকরি নিবা তবুও যোগ্য একটু আকটুসম্পূর্ণ
ভালোলাগা আকাশ আমার
প্রতিটি মানুষের হৃৎপিন্ড কাপছে ভেতরে প্রচুর ভাঙচুর
মনে খুব কষ্ট আর চোখে উদাস নদী।
নেই কোনো দিন এমন করে উপহাস করে না !
শত কোটি তারা দিয়ে পূর্ণ হয় মনোকামনা
উজ্জ্বল নক্ষত্র ডুবে গেছে হলুদ পাখির পাখনে।সম্পূর্ণ