ঝরা শ্রাবণের বর্ষা
ভোর প্রভাতে সূর্য মৃদু, সবুজ ঘাসে পা দাঁড়িয়ে –
চেয়ে আছি নীল আকাশ পানে।
কালি ভরা মেঘ উড়ে যায় মাথার উপর..সম্পূর্ণ
জীবনমুখী কবিতা সমূহ
ভোর প্রভাতে সূর্য মৃদু, সবুজ ঘাসে পা দাঁড়িয়ে –
চেয়ে আছি নীল আকাশ পানে।
কালি ভরা মেঘ উড়ে যায় মাথার উপর..সম্পূর্ণ
ধার্মিক দেশে ধর্ম কই
ধর্ম কি ভেজালের সই,
ধার্মিক ধর্মের ছদ্মে
ভাজে ভেজালের খই।সম্পূর্ণ
নিও না বসন খুলে অঙ্গের আমার ;
আমি তো চেয়েছি শুধু লজ্জা নিবারণ,
শেষের সে দিন যদি আনে অনাহার ;
অভিমানে খুঁজিব না তাহার কারণ ।
গাছেরা উলঙ্গ নয় : আছে বল্কল ;
প্রাণীমাত্র নগ্নতার উষ্ণ এক ছোঁয়া,
অশ্লীল চন্দ্রিমাস্রোত কল্লোলে উচ্ছল ;
বার্ধক্য হবে না কভু একরাশ ধোঁয়া ।
চিরায়ত কালস্রোত নি:শব্দে নীরবে ;
শৈশব কৈশোর ছাড়ি’ যৌবনের রথে ,
কত কাল বল দেখি বহিবে সৌরভে –
একদিন দিবেই পাড়ি বার্ধক্যের পথে ।
কঠিন কঠোর মৃত্যু দিবে হাতছানি ;
কে আর ফিরাবে তারে একা শুন্যহাতে ,
লিখে যাই সবিনয়ে বার্ধক্যের বাণী ;
দিনের প্রথম কলি ফোটে মধ্যরাতে ।
কুঁড়ির স্বাধীনতা ! ©আজিজুল হক মেয়েটি এত কিছুই চায়নি ! এত প্রেম , এত আহ্লাদসম্পূর্ণ
“সুখে থাকার কথা বলে করো না উপহাস
এই প্রেমিক তোমারই ভালবাসার দাস,
আমি তোমাকে চাই পাই বা না পাই
তোমাকে না পেলে কোন কালে আমার সুখ নাই…”
সম্পূর্ণ
আমি মানুষকে কবিতার কথা বলি কেন জানেন কারণ কবিতার মাঝে মানুষের জীবন আঁকা থাকে।সম্পূর্ণ
হে অষ্টাদশী, হতাশায় সাঁতারের অভিজ্ঞতা
তোমার চেয়ে ঢের বেশি আমার
যেহেতু প্রফেট নই সাবধান করার দায় আমার নেই
তবু জেনো, যে কবিরা রাস্তায় থাকে না কোনোদিন
অথচ রাস্তা রাস্তা রাস্তা বলে মগজে ঢুকছে তোমার প্রতিনিয়ত। সে রাস্তা প্রকৃতার্থে স্রেফ বিছানার দিকে যায়
কবিতা ফোটে না তার মাটিতে, ফোটেনি কোনোদিন।
সম্পূর্ণ
ক্ষণস্থায়ী স্বপ্নই তো শ্বাস
ঠিক দ্যাখা হবে জ্বলন্ত ছায়ার সাথে
পরোয়াহীন সে ভীড়বেই বন্দরে তাই
নিরর্থক হয়রানি, বেহুদা রঁশনির খোঁজ অসময়ে।
মানুষ, এখানে তোমার দৃশ্যমান ক্ষমতা নেই কোনো ভালো লাগে!সম্পূর্ণ
প্রকৃতার্থে বৃষ্টি বলতে—
গরম জামার জীবন ছিন্নমূলের
বসতির খুঁটির পানে সালেহার
ম্লান কাঁপা কাঁপা দৃষ্টির বদলে
নিমের ডালের মতো স্থির চোখ
নিজের জন্য পূবের খোলা জানালা
আর শান্তির জন্য একটা সাঁওতালি খোয়াড়ে
ঘাস খাচ্ছে শুয়োর ছানারা; এমন কোনো দৃশ্যের জন্মলগ্নের পুঁথি শোনাতে চাই, সম্পূর্ণ
নদী ও নারীর গল্প ©আজিজুল হক আমি হয়তো উদাস দুপুরবেলা, দাঁড়িয়ে থাকা দুঃখরাজি, আমি হয়তোসম্পূর্ণ