বিষাদ সিন্ধু
কয়েকটা সভ্যতার পতন দেখেছি আমি.. ইনকা, মায়া থেকে মেহেরগড়, সিন্ধুতে নবজন্ম আমার! অজস্র শুন্য বসন্তসম্পূর্ণ
জীবনমুখী কবিতা সমূহ
কয়েকটা সভ্যতার পতন দেখেছি আমি.. ইনকা, মায়া থেকে মেহেরগড়, সিন্ধুতে নবজন্ম আমার! অজস্র শুন্য বসন্তসম্পূর্ণ
দুর্নীতি সর্বোচ্চ রাজত্ব করছে এটি একটি ক্যান্সার যা থামবে না
সত্য লুকিয়ে আছে, মিথ্যা বলা হয়, মুক্তি নেই সত্যের
অন্যায় রাজত্ব করে, নির্দোষরা কষ্ট পায় এবং রক্তপাত করে
যদিও দোষীরা মুক্ত হয়, কোন অনুশোচনা বা কাজ ছাড়াই।
সম্পূর্ণ
মেধার কি আর আছে রে দাম–
আমার কোটার কাছে,
ফুলেল এই দিন আমার,
কোটা বিরোধীর কবর রচে!সম্পূর্ণ
ওদের টাকা-পয়সা; ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স আছে বলেই ওরা ভালো নেই
ওদের পরিবারে সামাজিকতা নেই;
এডজাস্টমেন্ট নেই;
সংস্কার নেই;
ওরা কেউ কারোর জন্য তিলমাত্র জায়গা ছাড়তে প্রস্তুত নয়
ওদের ঐ ঘরটাতে শুধু বস্তা ভর্তি টাকার পাহাড় পাবে
ঘরের আলমারি গুলোতে পাবে দামি দামি গয়নার বাক্সসম্পূর্ণ
আততায়ী চোখে জিজ্ঞাসা নেই
কুর্নিশহীন কন্ঠে উচ্চারিত হয় বর্বরতা দেখিয়ো না মৃত্যুফাদ—
গ্যাসোলিনের আগ্রাসনের মতো পৃথিবীর সকল যন্ত্রণাকে গিলে খাচ্ছি—
আমাকে অভ্যর্থিত করো।সম্পূর্ণ
সবকিছু হারিয়ে ফেলার পর যা বাকি থাকে তা-ই জীবন
মূলত মৃত্যুর সমান তার ওজন।সম্পূর্ণ
পুরনো পাপ মুখে তুলে ধরে বিষের পেয়ালা—
বেঁচে থাকার আগ্রহ প্রকাশ করি ওরা প্রতিবাদ করে
আকাশ স্পর্শ কোরবার ইচ্ছে হয় পাখিরা বিদ্রোহ শুরু করে—
যেহেতু অন্যের ব্যক্তিগত স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ অপরাধ।সম্পূর্ণ
পৃথিবীর শরীর থেকে লাশের স্তুপ সরাতে যে সত্তা নিজের হৃদপিন্ডে প্রস্তত করে রক্তমশাল—সেও কোনো একদিন খুন হয়ে যায় আততায়ীর ধুরন্ধর চোখে।সম্পূর্ণ
কল্কে ছলকে ওঠে ধুম অছিলায় উছলে অজুহাত
বুদ্ধিজীবী, যুদ্ধজীবী কবে ত্রুদ্ধজীবী হলেই তফাৎ সম্পূর্ণ
এরা দল বোঝেনা; এরা ডাল বোঝে
এরা মন্দা খোঁজে না; এরা ধান্ধা খোঁজে
এরা যে দলে যাবে; সে দলেই শুধু খাবে
খাওয়া ছাড়া এদের কোন- -ও – – -ও- – -কাজ নেই
এদের তো এমন দুর্গতি হবেই- – – -ই- -।সম্পূর্ণ
কি আসে যায় রাজ্য কিংবা সিংহাসনে !
যে দীপশিখা প্রজ্জলিত হৃদয় নামক
ছড়িয়ে দিলে অসংখ্য তার সুবাস ভরে
না জ্বালালে মানুষ নামক বৃত্তিগুলো
কি আর দামী যতই সাজো প্রেম উপাসক !
প্রেম এমনই আধার মানুষ এরই টানে
কেউ ধনী কেউ নি:স্ব হয়ে সবটা খোয়ায়
কার কি আধার রত্ন জানে আগলে তাকে
সোনার মুকুট পরায় প্রেমের সিংহাসনে !!