কবিতা পুরনো মৃত্যু প্রসঙ্গে
কবি সব্যসাচী
কাব্যগ্রন্থ শূন্যতার কফিন নিয়ে মৃত্যু উপত্যকায়
কবিতার বিষয় জীবনমুখী, প্রেম, মৃত্যু

সবকিছু হারিয়ে ফেলার পর যা বাকি থাকে তা-ই জীবন
মূলত মৃত্যুর সমান তার ওজন।

আবার নতুন বছর এলো সমস্ত সম্পর্ক ভেঙে চুরে গেছে কবেই—
নিজের কক্ষ দেয়ালে প্রাকমৃত্যুর উদ্দেশ্যে লিখা
আত্নহত্যার দুটো লাইন প্রতিনিয়ত দেখে দেখে বেঁচে থাকি।

এভাবে কতকাল বলো—
সন্ধ্যের পর জনবহুল পথে বেরোলে যদি সেই প্রবণতা কমে,
তবে কি অনেক ভুল করছি আমি?

আলো পৌছায় না,বাতাসে শিহরণ অনুভব হয় না এমন কক্ষে
মানুষ থাকতে পারে না—তবে কি আমি মানুষ নই?

কেউ কাঁধে হাত রাখলে নিজেকে সুখী মনে হয়—বুকে টেনে নিলে আহত হবার সব দুঃখ ভুলে যাই।
যেহেতু মৃত্যু আমার কাঁধে রেখেছে হাত এবং বুকে টেনে নিতে চায় প্রতিনিয়ত—
সেই ভালোবাসা উপেক্ষা করে বলো কীভাবে বেঁচে থাকার উৎসাহ পাই!

নির্জনতায় ফেলা চোখের জল তাচ্ছিল্যের সুরে শোনায়—পাপ কোরে অমর হবার ইচ্ছে বোকামি।
তোমাকে দেখে প্রেমিক হবার ইচ্ছেই ছিলো সেই পাপ—এবং বিয়ের পর প্রাক্তনকে ভালোবাসাও।

মানুষ যন্ত্রণাক্রান্ত জীবন নিয়ে পাহাড়ের দিকে ছুটে যায়—
আমি শুধু তোমার কাছে যেতে চেয়েছিলাম।

রক্তে মিশ্রিত বিষ হৃদয়ে পৌঁছলে বেঁচে থাকার কৌশল জানি না—
পাপের পাশেই পড়ে থাকে আলিঙ্গন
আততায়ী সময়
পড়ে আছে জীবন।

guest
0 Comments
Newest
Oldest Most Voted