জানতে বাসনা জাগে
এখানে চন্দ্রিমা আঁকে নিশুতির বাট
বিহগীর দেখে অভিমান,
পাতার আড়ালে করে কদম্বের ফুল
বাড়াতে রূপের জ্যোতি ক্ষণে ক্ষণে রূপালী সিনান।সম্পূর্ণ
এখানে চন্দ্রিমা আঁকে নিশুতির বাট
বিহগীর দেখে অভিমান,
পাতার আড়ালে করে কদম্বের ফুল
বাড়াতে রূপের জ্যোতি ক্ষণে ক্ষণে রূপালী সিনান।সম্পূর্ণ
বসলে নদীর বাঁকে মিঠা কথা স্মরি, আশারা সাজতে চায় পাল তোলা তরী। ছোট ছোট ঢেউগুলিসম্পূর্ণ
জমলে শালিক এসে মায়াবিনী বাটে, মাতবে ছোটুর দল টলটলে ঘাটে। ফড়িঙের ভীরু মতি সাজবে হাঁসেরসম্পূর্ণ
নিত্য নতুন শীষ দেখে বিশ ভাবলো বোকা চাষী, এমনি করে বাড়লে তো রোজ ফলন হবেসম্পূর্ণ
প্রতিটি দিনের শেষে
সুরুজ হারাবে পাটে
তারপর, আঁধার আসবে এক
নতুন দিনের রাঙা পূর্বাভাস বুকে নিয়ে নেমে,
এ’ খেলা নিত্য ই চলে ধরণীর বুকে
হয়েও আমার প্রাণ তবু স্রোতধারা
মোহনার বাঁকে গেছে থেমে!সম্পূর্ণ
অদ্ভুত রহস্য গেছো চিরতরে বুনে
করেও আপ্রাণ চেষ্টা পেলাম না আজও খুঁজে তল,
হয়তো থাকলে হতো শার্লক হোমস
কিংবা কিরীটী রায়, ফেলু দাও এখানে অচল!সম্পূর্ণ
রচেও দখিনা বায়ু খোলা বাতায়নে
শুকনো আকাশে পেয়ে ভাবি ক’টা মেঘের শাবল,
কতদিন গত হলো দেখিনি সে’ ক্ষিতি
যেখানে যক্ষ’র প্রিয়া রেখেছিলো আঁখির কাজল!সম্পূর্ণ
ছেলে বসে কয় পিতার শিয়রে বক্ষ ভাসায়ে জলে, ভাবো দেখি বাবা কেমনে বাঁচবো যাও যদিসম্পূর্ণ
ঘর বাহিরে চলছে বেড়ে ঈদের আমেজ রোজ। নিত্য নতুন আসছে জামা কিনছে বাবা চাচ্চু মামাসম্পূর্ণ
এখনও তোমাকে দেখি টলটলে খালে লহরির সাজে চুল মৃদু বায়ে দুলে করে খেলা, লাজুক বদনেসম্পূর্ণ
না পেলে শীতল ছোঁয়া হারে একদিন
শুষ্কতার ঘাতে কোন ধরাতলে সবুজের সিঁড়ি,
সাগরও শুকিয়ে যাবে ক্ষয়ে লোনাজল
পাঁজরে জাগলে তার দিনে দিনে বিষাদের গিরি!সম্পূর্ণ
কেন ভাই বসে আছো মুখ করে ভার? উঠেছে নতুন চাঁদ দ্যাখো একবার! ’আমি কি হাসতেসম্পূর্ণ
জড়াতে চাই না এই পৃথিবীর কোন
বাড়ন্ত বন্ধনে আর
অতল কষ্টের হোক চির অবসান,
থাকো তুমি মাটি হয়ে
আমিও যে ম্লান,
অদূরে ঘুরছে ক্ষণ হবো দোঁহে সমানে সমান!সম্পূর্ণ