বল না রে সখা!
বল না রে সখা তুই! আজও কি প্রভাতে খুঁজে ফিরে হিম সুজল গাঁয়ের ভুঁই? সেইসম্পূর্ণ
বল না রে সখা তুই! আজও কি প্রভাতে খুঁজে ফিরে হিম সুজল গাঁয়ের ভুঁই? সেইসম্পূর্ণ
তুমি হাসলে হৃদয় হাসে
হাসলে আমি মা,
দেখলে সে’ ক্ষণ রব কি পারেন
রাখতে দূরে পা!সম্পূর্ণ
আমি, ছন্দ তালের চাষী! পিঞ্জরে মোর হয় বলে ভাব তাল লয়ে উচ্ছ্বাসী, আমি, ছন্দ তালেরসম্পূর্ণ
উজার করে ঢেলে বুকের আশা, কয় না তবু মেঘের ধারা কে প্রকৃত চাষা, কৃতজ্ঞতায় বীথি,সম্পূর্ণ
লক্ষ লোকের খাবার হেসে কাড়ছে জেনেও রোজ, তবু কেন ছাড়ছো না ভাই ক্ষণিক ওদের পিছু?সম্পূর্ণ
নিভে গেলে প্রাণ, তবু কি গাইবে স্মৃতি এ চলনে গান? ভাবতেই মন কাঁদে হারায়ে সোপান!সম্পূর্ণ
নেংটা সুখের সার,
এ যে
ভীষণ বুঝা ভার!
নিঃস্ব যেজন তার বুকেও
দেয় এনে আবদার।সম্পূর্ণ
ওই পাড়ার লোক নাম ধলু তার বাঁচতে যে খায় খুদ, তারেও যেচে দেয় টাকা সেসম্পূর্ণ
ভীষণ বেহাল চলনের দশা যায়নি কে ভাই বুঝে? সামনে ও আড়ে গৃহবাসী আজ নীরবে চলেছেসম্পূর্ণ
হে বিধি আমার তরে মৃত্যুর রেখো ফরমান, কখনো ভাবার আগে ’এ ধরণী স্বর্গ সমান!’ চাইসম্পূর্ণ
বর্জ্য যদি
ভাবে ক্ষণিক রয়ে ,
নদীর বুকে
গড়বো মোদের কারা,
বাঞ্ছা যাবে
লোনার বুকে ক্ষয়ে,
থাকলে জেগে
নিত্য স্রোতের ধারা।সম্পূর্ণ