এখন পাকুড়গাছে সম্পূর্ণ নূতন পাতা
এখন পাকুড়গাছে সম্পূর্ণ নূতন পাতা, তার সঙ্গে বিবাহিত এইবটগাছে লাল লাল ফল ফলে আছে।চারিদিকে চিরকালসম্পূর্ণ
শিমুল গাছের নিচে
শিমুল গাছের নিচে গম ক্ষেত দেখলাম আজ।পুরো গম ক্ষেতটিই বাদামি রঙের, তাতে অন্য রঙ নেইদেখেসম্পূর্ণ
চাদেঁর গুহার দিকে নির্নিমেষে চেয়ে থাকি
চাদেঁর গুহার দিকে নির্নিমেষে চেয়ে থাকি, মেঝের উপরেদাড়িয়েঁ রয়েছে চাঁদ, প্রকাশ্য দিনের বেলা, স্পষ্ট দেখাসম্পূর্ণ
ফিরে এসো চাকা ৫৪ – হৃদয়, নিঃশব্দে বাজো…
হৃদয়, নিঃশব্দে বাজো; তারকা, কুসুম, অঙ্গুরীয়—এদের কখনো আরো সরব সংগীত শোনাবো না।বধির স্বস্থানে আছে; অথবাসম্পূর্ণ
ফিরে এসো চাকা ২১ – অভিজ্ঞতা থেকে ক্রমে…
অভিজ্ঞতা থেকে ক্রমে আকাশের বর্ণহীনতার সংবাদের মতো আমি জেনেছি তোমাকে; বাতাসের নীলাভতাহেতু দিনে আকাশকে নীলসম্পূর্ণ
ফিরে এসো চাকা ১৫ – গুনে গুনে ছেড়ে দিই…
গুনে গুনে ছেড়ে দিই, নিজেও সুস্থির পায়ে নামি, জাহাজডুবির পরে; শীতল আঁধারে মিশে থাকি। বরংসম্পূর্ণ
ফিরে এসো চাকা ১৪ – কী উৎফুল্ল আশা নিয়ে…
কী উৎফুল্ল আশা নিয়ে সকালে জেগেছি সবিনয়ে। কৌটার মাংসের মতো সুরক্ষিত তোমার প্রতিভা উদ্ভাসিত করেছিলসম্পূর্ণ
ফিরে এসো চাকা ১৯ – নেই, কোনো দৃশ্য নেই…
নেই, কোনো দৃশ্য নেই, আকাশের সুদূরতা ছাড়া।সূর্য পরিক্রমারত জ্যোতিষ্কগুলির মধ্যে শুধুধূমকেতু প্রকৃতই অগ্নিময়ী, তোমার প্রতিভাস্বাভাবিকতায়সম্পূর্ণ
ফিরে এসো চাকা ১৭ – কী যে হবে, কী যে হয়…
কী যে হবে, কী যে হয়, এখনো অনেক রীতি বাকি। দুরারোহ, নভোলীন পর্বতশিখরে আরোহণ ক’রেসম্পূর্ণ
ফিরে এসো চাকা ১১ – নাকি স্পষ্ট অবহেলা…
নাকি স্পষ্ট অবহেলা, কোরকে আকাঙ্ক্ষা নিয়ে,আজো যে আকাশ দেখা যায় তারো দূরে ওপারে আকাশে চ’লেসম্পূর্ণ







