ক্ষতবিক্ষত
একখানা পুরোনো পোর্টাল আমার দিকে
তাকিয়ে আছে বিষন্ন দৃষ্টিতে
কন্ঠনালী বিদীর্ণ করে আমাকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে
পরাজিতদের কাঠগড়ায়!সম্পূর্ণ
যদি একটিবার ফিরে এসো
এই যেনো এক বিবর্ণ আকাশ কিংবা খড়তাপহীন সূর্য!
খাদের পর খাদ পেরিয়েও অনর্গল দুঃখ আসে!সম্পূর্ণ
বেহেশতে যাওয়ার ইচ্ছে
জন্ম থেকে অদ্যাবধি এই শহর জুড়ে
পাপের অজস্র কোলাহল,
পাপবিহীন খুববেশী দৃশ্য চোখে পড়েনা!
পাপ সাম্রাজ্যের অবৈধ সঙ্গমে গড়ে উঠা
এই প্রাচীর ডিঙ্গিয়ে কতটুকু যেতে পারি জানিনা…
সম্পূর্ণ
আমার দেয়াল জুড়ে
দুইযুগ আগের তোমার সেই চকিত চাহনীর বিকিরণ
গোলাপি ঠোঁটের কম্পন, রজনীবেনী পিঠ কিংবা বাদামি উষ্ণতা…..
সবটায় সেঁটে আছে আমার দেয়াল জুড়ে।
সম্পূর্ণ
ঘুমহীন রাত কেটে যায়
কথিপয় এজেন্সি
বেশ্যাবাজারে দর হাঁকাচ্ছে,
প্রথমেই রাজনীতির বেশ্যালয়
যেখানে ক্রেতারা অগ্রগামী,
এরপর সমাজপতি,
নারীবাদী গ্রুপ….!
সম্পূর্ণ
অতপর অধমগণ!
হুররম কিংবা মেহেরুননেছাগণ পুনঃ পুনঃ জীবিত হইয়া আমাদের সুশ্রী গৃহিণীদের কবজ লাগিয়ে দেয়
অতপর; আমরা অধমগণ বিষবাষ্পে পতিত হই।সম্পূর্ণ
শবযাত্রার পেছনে হাঁটছে স্বপ্নচারী পথিক
একখানা প্রতারক দর্শন-
উৎকট উত্তেজনায় ভর করছে রাজপথ,
মৃত্যু পথযাত্রী চেতনাবাহী একটি পতাকা,
সেদিকে দৃষ্টিবদ্ধ শকুনের চোখ!সম্পূর্ণ
পূর্বপুরুষ
ডুবে যাচ্ছি স্তব্ধতার গভীরে, অদ্ভুত এক চাঁদ ঠিকরে
নিঃশব্দে ঘুরছে পূর্বপুরুষদের ঐশ্বর্যের মহাকাব্যে!সম্পূর্ণ
করোনাকালের ডায়েরি
প্রতিদিন মেঘবালিকার মতো করে আকাশটাকে দেখছি। উদ্ভ্রান্ত বাতাসে ছায়ার মতো লেপ্টে থাকা শরীরে কখনো রোদ, কখনো জোৎস্নার মায়াবী যৌবন সাঁতরে বেড়ায়।সম্পূর্ণ
নীল অদৃশ্য পারাপার
নীল অদৃশ্য পারাপারে নগ্ন স্পর্শ….
নিমগ্ন অন্তরাত্মায় জেগে ওঠে প্রকৃতি,
আদিম শোকার্যে প্লাবিত দু-চোখ!
সম্পূর্ণ