অঙ্কের সমীকরণটা বোঝাতে চেয়েছি
আলোকবর্ষের সাথে — গাছেদের রজনী
আঙ্গুল পেতে ঘুম সবই বোঝাতে চেয়েছি
যেমনভাবে আকাশের বুক থেকে তারা খসে যায়
তেমন গতিতে।

সম্পূর্ণ

বিরামহীন এ পথ চলা
চোখের ভিতর মহাযুদ্ধের আন্দোলন
হাত দিয়ে কুড়িয়ে এসেছি বিষণ্ণতার সমস্ত কথা
মানুষ এগিয়ে গেছে তাঁদের চলার পথ ধরে
আমি এগোতে পারিনি কারণ পাখিদের কথা ভেবে
আমি ফিরে এসেছি নিজের ঠিকানাতে….সম্পূর্ণ

আমি মানুষ ঠকিয়ে মানুষ হতে চাই না
ত্যাগ না স্বীকার না করেও ত্যাগী হতে চাই না
এর চেয়ে বরং মেঘ হয়ে আকাশে ভেসে যাবো
যেখানে থাকবে না কোনো বাঁধা বিপত্তি এমনকি হারিয়ে যাওয়ার ভয়।সম্পূর্ণ

আকাশ নীল মৃত সমস্ত আকাশের তারা
নেই কোথাও হারিয়ে যাওয়ার ভয় !
বিন্দু বিন্দু বিসর্জন নদী চঞ্চল গতিধারা
জোনাকিদের বুক চিরে আসে রাত্রি
ক্ষয়িষ্ষু জীবনের স্রোতে ভিন্ন – অভিন্ন হয়ে।

বিবর্ণ রঙের পিপীলিকা আঁকে সমুদ্র স্নান
প্রার্থনার মন্দির গড়েছি হাতের শিরা উপশিরায়
আপত্তি নেই কারো – তবুও জলে ধুয়ে গেল অনুপ্রেরণা
অনুরক্ত হল হৃদয় উপমাহীন মানুষের নকশা উম্ফোলন।

সম্পূর্ণ

অনেক ছবি আঁকা হল
পৃথিবীর সমস্ত ভূমিক্ষয় মানুষের শরীরে
তা ও জানা হলো — আমি জানালাম না ক্ষুধার্ত শিশুর কথা !
নাটকের চরিত্রে প্রতিবাদ অবাঞ্চিত ঘটনা
বন্ধুশূন্য পথ সমস্ত জীর্ণতা মুছে দিয়ে উন্মুক্ত জীবন
কিছুটা পরিবর্তন কিছুটা অভিনয় কিছুটা সময়ের অবজ্ঞা ।
সম্পূর্ণ

আইনের বিরুদ্ধে সংগ্রাম আমাদের গৃহত্যাগী মানুষের
রক্তাত্ব অ্যাকুলতা শূন্যের হৃদয়ে গুমড়ে নষ্ট হয়।
পৃথিবীর কাল্পনিক মেরুদণ্ডে হয়তো আমাদের বসবাস
জীর্ণতাবাদের তাজা অশ্রু চোখের নদীতে জমিয়ে।সম্পূর্ণ

কেটেছে রাত উদাসীন কবিতার পাতা উল্টে
তারা দূরে গেছে সরে — বন্ধুরা ঋণের চাপে শ্রমে।

দিন রাত্রির পৃথিবী – চোখে গভীর স্বপ্ন
হারিয়ে যায় মানুষ কত হারিয়ে যায় সময়
পালকহীন পাখির উড়তে গেলে মানাই !
বৃষ্টি আসলে বুঝে যাই মানুষ কীসে অসহায় !
সম্পূর্ণ

বিবর্ণ আঙ্গুলে ভালোবাসা নেই যেন বিষাদ সিন্ধু
পাখিদের জন্ম তো মানুষের জন্ম নয়!
ভাগ হয়ে যাওয়া হৃদপিন্ড কাঁদের বসতভূমি !
চোখের নিমেষে সব হারিয়ে যায় যেন তুলসী পাতার জল

সূর্য দাগ অমাবস্যা রাত্রি
বিরুদ্ধ ভালোবাসা – সঙ্গহীন শিরা উপশিরা
ঈগলের ডানায় আইন, শাসন তো ব্যাভিচারী নয় !সম্পূর্ণ

বুকের ভিতর এলিট্রাফ জোন
আবছায়া অন্ধকারের ভিতর থেকে বলে উঠি শুনতে পারছ?
কোনো উত্তর আসে না পৃথিবীর পথে
শিরদাঁড়া ছিঁড়ে একশো ফেরেশতা অবধি এগিয়ে যাই
সন্দেহ নেই নামের নিচে একটি নদী তার প্রবাহে চঞ্চল।
সম্পূর্ণ

এই শহরের তুমুল বৃষ্টিতে ভিজবো
চোখ থেকে অবিরাম অশ্রুধারাকে লুকাতে।
হাতে অধিকার পাষাণ হৃদয় খসবে
ভাঙবে মন….
চোখের নদীতে বরফ জমবে ক্রমান্বয়ে
পথ শূন্য করে।সম্পূর্ণ