জগৎ যখন মর্গ
শীতের তীব্র ছোয়ায় জগত টা আজ মর্গের এক নবরূপায়ন, অস্তমিত মৃত সূর্যের কান্নায় মেঘের আহ্বানসম্পূর্ণ
শীতের তীব্র ছোয়ায় জগত টা আজ মর্গের এক নবরূপায়ন, অস্তমিত মৃত সূর্যের কান্নায় মেঘের আহ্বানসম্পূর্ণ
আমি যদি বলি ঈশ্বর ভরা শ্রাবণে বৃষ্টির বদলে কবিতা ঝরাবেন,তবে তাই সঠিক।মেনে নেও। মেনে নেওসম্পূর্ণ
এ এক আশ্চর্য নিদাঘ বেদনা- কষ্টেরা ঝনঝন করে, ঝরে পড়ে- মনে হয়, এই শীতে দরজায়সম্পূর্ণ
আমি বেঁচে আছি হয়তো _না বাঁচার মত করে।শরীরের প্রতিটি নিঃশ্বাস পৃথিবীর মাঝে পড়েএক একটি দীর্ঘশ্বাসসম্পূর্ণ
দু’চোখের পাথর ছিদ্র করে গড়িয়ে পড়ে জলপৃথিবীর প্রাচীন কবরেহায়! এ-আনন্দধারায় আমিও জেনে যাই- বর্ষা এসেছে,সম্পূর্ণ
আমি বৃক্ষের মত ভালোবাসবো তোমাকে,রোদে পুড়ে,বৃষ্টিতে ভিজে,কালবৈশাখী ঝড়কে উপেক্ষা করেসহস্রাব্দীকাল ঠায় দারিয়ে থাকবো ঐ মেথুলাসেরসম্পূর্ণ
তাকে দেখতে পারি, তাকে দেখি খুব কাছে যেয়ে কখনো ততটা দুরে, যে দুরত্বে তাকে স্পষ্টবাসম্পূর্ণ
কাঁপা কাঁপা সুখের খোঁজেজীর্ণ হৃদয় কিইবা বোঝে। শীতল হাওয়া বইছে মাঠেচিন্তা করেই কালযে কাটে। সামনেসম্পূর্ণ
বিড়ালের মতো নিঃশব্দ ও নরম পায়েকতগুলো দুঃখ হেঁটে গেল আমাদের পাশ দিয়ে।বিড়ালের মতো নিঃশব্দ ওসম্পূর্ণ
আজকাল প্রাত্যহিক কাজে মন বসছে না! তোমাকে ভীষন ভাবি, ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত ভাবে ভাবি!ভাবনা গুলোওসম্পূর্ণ
যেহেতু এখনও বেঁচে আছি, মরে যাইনি পৃথিবীর নিয়মে, আমার জন্য তোমার যাবতীয় শোক আয়োজন আজইসম্পূর্ণ
তুমি এসেছিলে একদিনমানুষের কোলাহলে দিনের মতো আলো জ্বালিয়ে।নিষিদ্ধ প্যাড়াকে পা গুটিয়ে রাত্রির মতো কালো করেআবারসম্পূর্ণ