প্রিয়দর্শিনী
এসেছিলে যখন অন্ধকারের ওপার থেকে,মনে হলো পাহাড়ের বুক চিরে চাঁদটা উঠছে এক্ষনি।হে প্রিয়দর্শিনী।তোমার আলোতে আলোকিতসম্পূর্ণ
এসেছিলে যখন অন্ধকারের ওপার থেকে,মনে হলো পাহাড়ের বুক চিরে চাঁদটা উঠছে এক্ষনি।হে প্রিয়দর্শিনী।তোমার আলোতে আলোকিতসম্পূর্ণ
চলো হঠাৎ একদিন…আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে ভেঙ্গে ফেলি সব চিৎকার,পাঁজর থেকে বের করে আনি যত দীর্ঘশ্বাসেরসম্পূর্ণ
‘ভালোবাসা’ তুমি বাগানের গোলাপ,জড়ায়ু মেলে ফোটে থাকো। তোমার প্রেমিক ভ্রমর-দূর থেকে দেখুকঅন্ততমায়াবী সুরভী;বাঁচাবে তোমার সম্ভ্রম!সম্পূর্ণ
ধুলো জমা পথঘাট ধুয়ে মুছে যায় তোমার প্রিয় শ্রাবণের জলে।আমার আকাশে জমিয়েছি মেঘ তাইনিজেকে আঁধারেসম্পূর্ণ
গোধুলি তন্দ্রাঘোরে সূর্যাস্তের দেয়ালে কার ছায়া পড়েছে?? তুমি কি সেই হারিয়ে যাওয়া প্রেম?নাকি ঝোড়ো হাওয়ায়সম্পূর্ণ
আমার প্রাক্তন প্রিয়তমা ছিলোকবিতার ওষ্ঠগত শিপ্লী,আবৃতি করত সে কবিতা সুললিত কন্ঠে!আর আমি কবিতার একচ্ছত্র সাধক,ছন্দজ্ঞানহীনসম্পূর্ণ
আগুনে বিড়ি জ্বলে যেতেছে!ত্রিচক্রযানের সুশীতল বায়ুতে তোমার নামে মেরুন কালারের ওড়নায়উড়ে যেতেছে একটি সন্ধ্যা। জেনো-সম্পূর্ণ
এমন দিনে তারে বলা যায়,আজকের মতো এই বর্ষার দিনে । কিন্তু বলবার কিছু নেই যেসম্পূর্ণ