মৃতদের অভিমান
অনেক পাখির মতো এখনো বাড়ি ফেরেনি কাদামাখা একজোড়া পা,পুকুরঘাটের বাঁধানো সিঁড়ি বেয়ে নামতে থাকা শামুকওসম্পূর্ণ
অনেক পাখির মতো এখনো বাড়ি ফেরেনি কাদামাখা একজোড়া পা,পুকুরঘাটের বাঁধানো সিঁড়ি বেয়ে নামতে থাকা শামুকওসম্পূর্ণ
আমি বুকের পাতায় ছবি জমাই যারতারে মুখের সামনে পাইলে কইতে পারিনা কিছুই।যার জইন্যে প্রেমের ঘরসম্পূর্ণ
সে এক প্রেমের নিবন্ধন,প্রিয়তমা বলেই,স্মৃতি চেতন,ঘাতক হতে চাওয়া মন,একা আত্মহত্যা চাই না জীবন!আলিঙ্গন করে জোৎস্নাসম্পূর্ণ
আমার কাউকে মনে করার নেই,নেই কিচ্ছু মনে করাবার।আমি নিতান্ত অভ্যাসে, বদ-অভ্যাসেহাঁটি চেনা পথ।খুঁড়ে দেখি প্রাক্তনসম্পূর্ণ
জানো?? অন্ধকারে ভীষণ ভয় করে আমার!!তুমি কি আলো হয়ে আসবে? উজ্জ্বল করে দিতে আমায়? যেখানেসম্পূর্ণ
মানবতাবাদী নই আমি!আমি তো প্রেমিক;মাওবাদী!! আমি তো চঞ্চল দূরন্ত- দস্যুপনাকে বয়ে বেড়াই আমার শিরায়,ধমনীতে, রক্তে।।সম্পূর্ণ
হে মালতি,আমার রজনী ভোর হয়তোমার আলতো ছোঁয়ায়।স্পর্শে নয়, মর্মে এসে ঘুম ভাঙাও আমায় ।তুমি ভোরেরসম্পূর্ণ
সতীন ভাবলা কবিতারে,যহন কইলাম – রাইখা আহো বারান্দায়। তখন প্রশ্ন তুললা – ‘এই হইলো তোমারসম্পূর্ণ
কাল বৃষ্টির পর তোমায় দেখেছিহলুদ আকাশের বিচ্ছিন্ন মেঘেদের মতোনসাময়িক উত্তেজনায় । যেন সবুজ পাতাদের সাথেসম্পূর্ণ
আমিমরে যাবো।তোমার বিরহে।তোমাকে ভালোবেসে।একদিন আমি মরে যাবো।তারপর– আমি ঘাস হয়ে জন্মাবো।প্রতিদিন তুমি যে-পথে হেঁটে যাও,সম্পূর্ণ
একটা সুখের গদ্যহোক,সদ্য ফোটা পদ্মহোক,,স্বপ্নগুলা রঙ্গিন হোক,সুখের খুব অসুখ হোক!! একটা প্রেমের কাব্য হোক;জগৎজুড়ে বহূদসম্পূর্ণ