চির অমর কাজী নজরুল
তোমার হাতে গাঁথা মালাখানি যায় নি ছিড়ে
শুকায়নি আজও হিন্দু মুসলিম একই বৃন্তের দু’টি ফুল,
কাঁটাতারের বেড়ায় ভাগ হয়েছে
অসাম্প্রদায়িক বাংলার এ কূল ও কূল।
ভাগ হও নি তুমি,
মানব ধর্মের মেলবন্ধনে রয়ে গেছ
চির অমর কাজী নজরুল। সম্পূর্ণ
সাররাহিত্য
তুমি কি এখন আর এইচএমএম রোডে আসো না!
এখন কি আর বিকালে গড়িয়ে সন্ধ্যা নামলে কারও সাথে হাতে হাত রেখে হাঁটো না!
নাকি অন্য কোনো রাস্তা বেছে নিয়েছ, যে রাস্তা আমি চিনি না!সম্পূর্ণ
নীল ডায়েরির কবিতা-১৩
স্বপ্নরা হানা দেয় অন্য কোথাও
চিলের ডানা চাদরের আলপনা আঁকে;
যদি ভুল হয় কখনো তাঁরে
তবে বুঝিবো আমি সেও ছিল অভিমানী চাঁদের নীচে।
আমি নিদারুণ অভিমানে চলে যাবো দূরে
নীল গোলাপের কাঁটার আঘাত পেয়ে।
বড়োই দেরি হয়ে গেছে জেগে উঠিতে
চলন্ত রেলগাড়ির যাত্রীরা নেমেছে বহুদূরে।
জাহাজের পাটাতন গেছে ডুবে
পান্ডিত্য সব ধুলোয় মিশে
সরকারও বদল ঘটেছে দেশে দেশে
এমনকি রাষ্ট্র ভাষাও হারিয়ে ফেলেছে শব্দ।
সম্পূর্ণ
চট্টেশ্বরী রোড
তুমি কখনও কারো প্রেম হয়ে যাও
আবার কখনও বন্ধুত্বের আসর জমিয়ে দাও,
তোমার বুকে চা-সিগারেটের ধোঁয়ার চুম্বন ,
এ যেন বেকারদের আড্ডা জমে—ক্ষীর হয় তখন!সম্পূর্ণ
নগরের প্রসাধনী
বেজন্মা দিয়েছো উপাধি
চুল থেকে নখ
পোশাক অবধি।
চটকে দিলে খুব
বাসনা এরূপ
ক্ষোভ সভা করে
জনপ্রতিতে
বেজন্মা দিয়োছো
সর্ব জাতিতে।সম্পূর্ণ
প্রেমিকের জন্য কাঁদেনি
তিনি একা নন তাঁর মতন তোমরাও এসেছো,
বলেছো অজান্তেই প্রজন্মের তরে জাগিয়েছ ভরসা।
সে ভরসায় প্রজন্ম অবশ্যই বিশ্বাস করেনি।সম্পূর্ণ
ছদ্মবেশী সম্রাট
ক্ষণে ক্ষণে রূপ বদলাই।
কখনো লোহিত, কখনো নীলাভ,
কখনো হরিৎ, কখনো হরিদ্রা,
কখনো শ্বেত, কখনো কৃষ্ণা।
কখনো হয়ে পড়ি বর্ণহীন।
কখনো হই প্রেমিক কিশোর
কখনো হই চৈত্রের খাঁ খাঁ রোদ
কখনো হই কিশোরীর জলতৃষ্ণ।
অভিলাষ মাহমুদসম্পূর্ণ
নিঝুম রাতের তারা
আকাশে নিঝুম তারা জ্বলছে যখন
আমি থেমে, পৃথিবীর চেনা মুখে-
অজস্র নক্ষত্রের সমাবেশে একটি তারা
তখনও জ্বলছে মিটমিট করে।
যেই প্রেম-সেই নাম
নতুনেরা আসিয়াছে পুরানো হয়ে;
আমি জাগি – সে ও জাগে
জানিয়াছি আমি এক নিশ্চয়তা
পলকে পলকে আমাদের পিছুটানে,
বাহিরের আকাশ নীলসম্পূর্ণ