বিষন্ন নেক্রপলিস
না কিংবা খাচায় আবদ্ধ জীবনে পাখির ডাক বলতে যান্ত্রিক অ্যালার্ম ই বন্দিদশা।
রঙিন কাচে যখন ভোরের আলো পড়ে তা কি অদ্ভুত হলদে,যেন কেউ এ শহর কে হলদেটে মাখনরঙা চাদরে ঢেকে দিতে চাইছে ,তবে বিধিবাম
শহর জেগে ওঠে! সম্পূর্ণ
রূপক অর্থে লিখা কবিতাসমূহ
না কিংবা খাচায় আবদ্ধ জীবনে পাখির ডাক বলতে যান্ত্রিক অ্যালার্ম ই বন্দিদশা।
রঙিন কাচে যখন ভোরের আলো পড়ে তা কি অদ্ভুত হলদে,যেন কেউ এ শহর কে হলদেটে মাখনরঙা চাদরে ঢেকে দিতে চাইছে ,তবে বিধিবাম
শহর জেগে ওঠে! সম্পূর্ণ
প্লীজ চিৎকার করতে দাও নাহয় বিশুদ্ধ বাতাস দাও
আমায় চন্দ্রবিন্দু হতে দাও কিংবা এই নক্ষত্রের তলে একটু ঘুমাতে দাওসম্পূর্ণ
পায়ে পায়ে পোড়ে বিগত দুপুর—ধীরে চলো বসন্তের লালঝুটি
আমার চোখ জ্বলে—বুকের ভেতরে ধুলো ওড়েসম্পূর্ণ
আমিতো সাঁতার না জানা একটা সুনীল শৈবাল
দমকা হাওয়ায় ঢের ভয়—যদি ভেসে চলে যাই তোমার গ্রীবায়
সম্পূর্ণ
প্রেম জ্বলে বুক জ্বলে নেমে এস ছি ছি পাড়াশুদ্ধ
লোকে কি বলে :
চোবাও আমায় আর
আমিও তোমায়,বেঁজে উঠি চল আকস্মিক স্নানে !সম্পূর্ণ
প্যারেড
– মল্লিকা রায়
লেফ্ট রাইট লেফ্ট —–
গমগমে প্রান্তর, এখানেই লক্ষ্যভেদ
ঘাম বেয়ে এগিয়ে চলার প্যারেড
জলে মুখে পাথরকুচি
কিছুটা সটান শিশুর গালে, কোল ভেঙে
গড়িয়েছে বেলা এখনও অভুক্ত তুই !
কত কত কোলাজে গড়েছি
অর্ধভূখ মাঠের মতন অজস্র দাপাদাপি
কোন আর্জি নেই আর, শতচ্ছিন্ন পরে থাকে অসংখ্য ধূলায়
একই বেশ একই কায়দায়
অভূক্তের একই রুপ, সান্ধ্য কিছু
আঁচল ছড়ায় ,অমায়িক সিক্ত সিন্ধু পেয়ে
দৃষ্টি মেলে সে ও !
যেইমাত্র সরে গেলে বেলা, না পাওয়ার
গ্লানিবিদ্ধ,ঘর্মক্লান্ত মুখ, গৃহ মাটি ঘর
রোদতপ্ত পিচের মতন,উদ্ধত ক্ষত চিহ্ন বয়ে
হতাশার নিরাসক্ত মুখ