নৈঃশব্দ্যের গল্পগুচ্ছ
বাঁশিটা বহুদিন বাজেনি আর, বোধহয় নিরুদ্দেশ! কিরে বাঁশি তুই তুলবি না সুর? ছড়াবি না আবেশ?সম্পূর্ণ
রূপক অর্থে লিখা কবিতাসমূহ
বাঁশিটা বহুদিন বাজেনি আর, বোধহয় নিরুদ্দেশ! কিরে বাঁশি তুই তুলবি না সুর? ছড়াবি না আবেশ?সম্পূর্ণ
তোমার হাত ধরে কত বিকেল পথ হেঁটেছি, ধানের গন্ধ মাখা পথ, দূরে নীল নদীর জল,সম্পূর্ণ
ব্যক্তিগত কোন মত নেই, মতামত থাকতে নেই— যা হচ্ছে সবটুকু আমাদের প্রাপ্তি নয়; তবুও পাচ্ছি…সম্পূর্ণ
প্রকৃতির সঙ্গে কবিমনের সম্মোহিত মিলনে হৃদয়ের জরায়ুতে স্খলিত হয় ভাবনার এক বিন্দু উদাস বীর্য।। অতঃপরসম্পূর্ণ
এই পৃথিবীতে তবু জীবনে অগাধ মৃত্যু আসে, বহুবিধ যন্ত্রণায় আড়ষ্ট সময় ধরে; বেড়ে ওঠে অন্ধকার।সম্পূর্ণ
উপেক্ষার কষাঘাতে রক্তাক্ত আবেগ— জমাটবদ্ধ কালো রক্ত, ব্যাক্তিত্বের চামড়া দলাপাকি য়ে ঝুলছে । জুতোর পেন্সিলসম্পূর্ণ
আপনি চাইলেই তাকে চিরতরে ভুলে যেতে পারেন। তার চেহারাকে নয়।__ __জীবনের পথে কোনো একদিন হঠাৎসম্পূর্ণ
এক বিষাক্ত শৃঙ্খল থেকে আমি মুক্তি চেয়েছিলাম ভেবেছিলাম তোমার বুকের ভেতরে হয়তো কিছুটা অক্সিজেন জমাসম্পূর্ণ
সময়ের বিবর্তনে পাতাদের মত ঝরে পরার অনুভূতি আসবে মনে। শুন্যতা চারিদিকে গ্রাস করবে, পৃথিবীটা ফ্যাকাসেসম্পূর্ণ
জীবনে টুকটাক মিথ্যা বলতে হয়। শেষ কবে সত্যি বলেছিলাম, মনে নেই। এই একটা মিথ্যার জোরেইসম্পূর্ণ
হে কবি, এসো ফিরে আবার মাতৃকোলে, ফিরে এসো বৈশাখের ঐ গানে ছন্দের নূপুর বাজাও আপনসম্পূর্ণ