ডাকচিঠি-২৩
একটি পূর্ণিমা রাতের হাতছানিতে সাড়া পাওয়া গেছে তাঁরে
আমি পারিনি বলতে তাঁরে
খুঁজতে খুঁজতে হতাশ হয়েছি অনন্তপুরী নৈকট্য
কি বা কাকে বলবো বিরহের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া
রাত্রির নিকটে নিস্তব্ধ ধোঁয়াশা জমে জমে ছাই হয়ে যায় হৃদয়।সম্পূর্ণ
প্রেম ভালোবাসা আবেগ এবং অনুভূতির কবিতা।
একটি পূর্ণিমা রাতের হাতছানিতে সাড়া পাওয়া গেছে তাঁরে
আমি পারিনি বলতে তাঁরে
খুঁজতে খুঁজতে হতাশ হয়েছি অনন্তপুরী নৈকট্য
কি বা কাকে বলবো বিরহের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া
রাত্রির নিকটে নিস্তব্ধ ধোঁয়াশা জমে জমে ছাই হয়ে যায় হৃদয়।সম্পূর্ণ
আকাশে নীল হয়ে যায় মলিন
যদি তাকাই তার চোখের দিকে
শিল্পির গান হয়ে যায় ম্লান
তার মিস্টি কন্ঠ শুনে।সম্পূর্ণ
তোমার চোখের পাপড়ি আর ভ্রু গুলো
সাদা-নীল চোখগুলো
আঁকতে গেলেই হয় যে এলোমেলো ।সম্পূর্ণ
তোমাকে খুঁজতে যাবো হে আমার সারি! তোমাকে খুঁজতে যাবো হিম হিম হিজলের ছায়, যেখানে অবাধেসম্পূর্ণ
অনুগত হাত দু’টি মোর তুলছি আশার বন্দরে, ফিরাইও না আজ গো প্রভু অধম বলে মানসম্পূর্ণ
রাত-দিবসে সঙ্গোপনে নিজের সাথে ফের যুঝি, তুমিই জানো কোন বা আশে কারে আমি রোজ খুঁজি।সম্পূর্ণ
আমারি কারণে যদি হোক সঙ্গোপনে
কখনো ঝরিয়ে থাকো ফোঁটা দুই তপ্ত অশ্রুজল,
দিলাম তোমায় কথা এই অবেলায়
না গড়ে যাবো না আমি আরেকটা সায়র অতল!সম্পূর্ণ
আশ্চার্য শরীরে গেঁথে দিলে শুভ্র দ্যুতি, নিবিড় স্তব্ধ রাত্রি, শিল্পীর তুলির স্পর্শে; অপূর্ব মাধুর্যময় সেই সঙ্গীতের সুর, যা কেঁপে উ’ঠে হৃদয়ের উদ্দীপ্ত মর্মের ঠোঁটে গভীর ভালোবাসায় আমরা হারিয়ে গেলাম নীল রক্তস্রোতে কেঁপে উঠা মুহূর্তে আদিম অন্ধকারে প’ড়ে রইলো আমাদের অর্থহীন মুখচ্ছবি স্তব্ধ স্মৃতির আড়ালে মেঘমালার পুঞ্জ-পুঞ্জ শিশিরে ছুঁয়ে গেল কোমল সৌরভ, আঁখির দুর্ভেদ্য নিশীথে; গ’লে-গ’লে ঝ’রে পড়লো দু’চোখের অশ্রুবিন্দু, তৃষ্ণাতো শরীরে বৃষ্টির ছোঁয়ায়
সম্পূর্ণ
মায়াবী আঙুলের নীলছোঁয়ায় মৃত্তিকা নেই পদতলে স্বপ্নের গভীরে
তোমার একফোঁটা চোখের জলে দাঁড়িয়ে থাকে আমার বেড়ে উঠা স্বপ্ন
শতাব্দীর সূর্যকরোজ্জ্ব্ল মধ্যেদিনে, দীপাবলির জ্বেলে উঠা আলোয়
জলপাই রঙের সৌন্দর্যে মিশে থাকে আমার সকল শূন্যতা জ্যোৎস্নার
নির্জনে, বিচ্ছেদে মিশে থাকে লাল-নীল নিসর্গ প্রদীপ মায়াময় বাহুতে.
সম্পূর্ণ