আমি না থাকলে
যদি আমি আর না থাকি তোমাদের মাঝে
তবে কি আর হবে বল তো।
হয়তো জনসংখ্যা হ্রাসের ক্ষুদ্রতম একক এর কাটা-টা আরেকটা বার নাড়া দেবে।সম্পূর্ণ
যদি আমি আর না থাকি তোমাদের মাঝে
তবে কি আর হবে বল তো।
হয়তো জনসংখ্যা হ্রাসের ক্ষুদ্রতম একক এর কাটা-টা আরেকটা বার নাড়া দেবে।সম্পূর্ণ
আমার জন্ম যদি আরো দুই’শ বছর আগে হতো,
তবে এই শহরের মিথ্যে ভালোবাসার কবলে-
হয়তো আমি পড়তাম নাহ৷
পড়তাম নাহ কোন ছলনাময়ী প্রেমিকার কবলে,
আগ্রাসী মনোভাব নিয়ে কেউ হয়তো-
আঘাত করার সুযোগ পেতো নাহ সরাসরি।সম্পূর্ণ
অসীম আয়ুর আশা করো না কখনো ভাবো মনে ধরণীতে র’বো যতোদিন, সময় ফুরিয়ে যাবো হাতেসম্পূর্ণ
আমরণ রুখে ভুখ
নিভৃতে ভুলে দুখ
আহরণে চিরসুখ
বিধাতার পদে চাও স্বর্গ?
দু’ক্ষণের প্রণিপাতে
স্বার্থের কষাঘাতে
মোহ মায়া হাতড়াতে
আপনারে বানিও না খড়গ!সম্পূর্ণ
সব কিছু যখন খুবই অসস্তিকর লাগে, তখন মনে হয়, একছুটে পালিয়ে যাই এই শহর থেকে কোথায় দূরে,কোনো পাহাড়ে । ওই পাহাড়ের দেবদারু গাছের ছায়ায়, যেখানে গাছের ফাঁক দিয়ে মেঘ ও সূর্যের লুকোচুরি দেখতে পাওয়া যায়, ঠিক এমন একটি গাছের তলায় আমার সমস্ত জমে থাকা ক্লান্তি এক নিমিষে ঝেড়ে ফেলতে চাই।সম্পূর্ণ
রৌদ্রত্তাপে জীবন যখন ক্লান্ত; ঘামের সাথে বেরোয় হাহাকার
দিক বিদিক সব পথিকের কপালে ঘাম; মাথায় কত ভার
সকালে ঘুম থেকে উঠে এই রোদে পরিবারের দিক চেয়ে বাড়িয়ে পড়া
প্রচন্ড গরমেও চুলোয় হাত, পরীক্ষা; মিটিং মিছিল
কেউ ভালো নেই। নেই সাধারণ থেকে অসাধারণ
নেই রাজা থেকে রাজনৈতিক ; ভালো নেই ভিক্ষুক
দশ তালা ফ্লাটের মালিক। রোদ! কাউকেই ছাড়েনা।
শুধু এসির নিচে বসে লাট সাহেব জানেনা; রোদের কি জ্বালা।সম্পূর্ণ
গরম বেশি হাফায় বাবু গায়ে মাখে জল, ডাকলে মা’য়ে চোখ পাকিয়ে দেখায় দেহে বল। চোখসম্পূর্ণ
ব্যাগ ঝুলিয়ে খোকা যাবে স্কুলের ঐ ঘরে, লেখা পড়ায় পেট ভরিয়ে ফেরে ধিন-ধিন করে, বইয়েরসম্পূর্ণ
আধ ভোলা মন সুতো ছেঁড়া ঘুড়ি ভুল ছাড়ে না নিদ-চেতনে পিছু, কোথায় যে যাই একলাসম্পূর্ণ
নিয়মের ফেরে কাঁটাহীন শাখে ফুটলেও শত ফুল, দুঃখ ও সুখ পালা করে আসে কখনও ভেবোসম্পূর্ণ
আবৃত হয়ে আসে বারবনিতার মতো। কিংবা সিঁদুরের কৌটায় আসে। আরও আসে প্রজ্ঞার ফুটনোট হয়ে। ট্রয়েরসম্পূর্ণ
তুমি যদি ভাবো বাসবেই ভাল ক্ষতি নেই মোর তাতে, কিন্তু পারবো না আমি তোমার কথায়সম্পূর্ণ