মেঘ-রোদ্দুরের চুক্তিবদ্ধ দলিল প্রস্তুত,
সবুজ ঘাসেরা তৃষ্ণার্ত।
বাড়ি ফিরে গেছে একঝাঁক সাদা-বক,
তাদের ডানার খুঁজে হাওয়ারা দিগ্বিদিক দিশেহারা। সম্পূর্ণ

বৃক্ষের প্রতিটি শাখা-প্রশাখায় জন্মেছে নবপল্লব,
কৃষ্ণচূড়ার রক্তাভ শরীরে সুড়সুড়ি দেয় মৌমাছির দল,
তবু মনে নেই দোলা।
এ আবার কেমন বসন্ত?
হঠাৎ একদিন বোধ করি—
অন্তরের গভীর কোণে ঝরা পাতার মর্মর ধ্বনি
চোখ মেলে দেখি—
সরষের আড়ালে প্রজাপতির লুটুপুটি।সম্পূর্ণ

এইসব চিৎকার, এইসব আর্তনাদ যেদিন পাল্টে যাবে মহালয়ার সুরে, সেদিন হয়তো কোনো এক
উজ্জ্বল নক্ষত্রের দেখা পাব আমি এবং আমরা।
সেদিন দেখব সবুজ মাঠের উপর দেবীর পায়ের ছাপ
সাদা শাড়ির লাল পাড়ের স্রোত বয়ে যায় ঘাসে,
নারী মূর্তি সাংকেতিক বার্তার মতো খোঁপার বাঁধন খুলে দিয়ে যায়
চোখে তার ভোরের নরম শিউলি ফুল ফুটে ওঠে।সম্পূর্ণ

আমার কথাগুলা কাব্য হয়, তোমার কথা এলে।
হৃদয় আমার দ্বার খুলে দেয়, তোমার গন্ধ পেলে।
তোমার স্নিগ্ধ শরৎ আর বুক ভরা দরদ
সব যেনো শুধু আমার।
আমার মনে গাঁথা কাব্য যতো,
সবে নাম শুধু তোমার।সম্পূর্ণ