চিরস্থায়ী ভালোবাসা
এত কাছে আছি তো তাই বুঝতে পারছ না আমাকে। অতএব এবার একটু ভুল বোঝো; দেখবেসম্পূর্ণ
এত কাছে আছি তো তাই বুঝতে পারছ না আমাকে। অতএব এবার একটু ভুল বোঝো; দেখবেসম্পূর্ণ
এ কী অবস্থা সূর্যের আলো এত ঠান্ডা হতে পারে, একটুও উষ্ণতা নেই তাতে! যেন, কোটিসম্পূর্ণ
তোমরা বলছ, আমায় খুঁজে পেয়েছ? কিন্তু না তো, আমি পৃথিবীর মুখ দেখলাম কই! ছিলাম মায়েরসম্পূর্ণ
একটা আকাশ থাক শুধু
আর আমন্ত্রণ নয় , মুঠো মুঠো বিষাদ ছড়িয়ে
হুমড়ি খেয়ে পড়ি
একটা বিকেল দেবে আমায়
সন্ধ্যা হতে পারলাম না বলে
আমায় ক্ষমা কোর নক্ষত্ররা, কিছু বলার আছে
মধ্যযামে বলে যাব সবটাই
আজ নয় দূর থেকেই, হাওয়ায় তোমার
উড়ে যাচ্ছে ঘোমটা আর ঘরময়
লাল পেয়ে দাগটায় আমি
চেপে ধরেছি ফুলস্কেপ
যে কাগজে হাত চেপে দিয়েছিলে শৈশব
আজ তার ওপরেই তোমার গোটা
মূর্তিটা পরেছে ছবির আদলে।
শেষ হুইসেলটা বাজেনি এখনও
এই প্লাটফর্ম ছেড়ে চলে গেছে
যে যার মর্জিমতো –
একটা ছায়া পাক খাচ্ছে চতুর্দিকে
শনশন উড়ছে চৈত্রের হাওয়া, যাবার আগে
আমার সব দিয়ে যাব তোমায়
আমার কানটানা ঝুমকো , বেলোয়ারি চুড়ি
তিনশো ছেষট্টি শাড়ির দেরাজে
তেজপাতা রংয়ের শাড়িটাও – তুমি সাজো
সাজো তুমি |
আমি পৃষ্ঠা জুড়ে তোমার সুখের ছবিটা
আঁকতে চাই ভীষণ রকম |
সাত ঘাটের কানাকড়ি’ কিংবা ‘জমিদার দর্পণ’ মঞ্চায়নের কোনো ভোরে,
আমার মফস্বল কিংবা তোমার শহরে।
পড়ে আসা ম্লান আলোয়
জোনাকীরা রাখবে আলো জ্বেলে
অদ্ভূত এক অন্য দিনের বিকেলে…সম্পূর্ণ
রাতের আকাশ তারাভরা নয়, শুধু ভরা জমাট কালো রঙে, লক্ষ কোটি দৈত্যের মতো চোখ যেনসম্পূর্ণ