একটা আকাশ থাক শুধু
আর আমন্ত্রণ নয় , মুঠো মুঠো বিষাদ ছড়িয়ে
হুমড়ি খেয়ে পড়ি
একটা বিকেল দেবে আমায়
সন্ধ্যা হতে পারলাম না বলে
আমায় ক্ষমা কোর নক্ষত্ররা, কিছু বলার আছে
মধ্যযামে বলে যাব সবটাই
আজ নয় দূর থেকেই, হাওয়ায় তোমার
উড়ে যাচ্ছে ঘোমটা আর ঘরময়
লাল পেয়ে দাগটায় আমি
চেপে ধরেছি ফুলস্কেপ
যে কাগজে হাত চেপে দিয়েছিলে শৈশব
আজ তার ওপরেই তোমার গোটা
মূর্তিটা পরেছে ছবির আদলে।
শেষ হুইসেলটা বাজেনি এখনও
এই প্লাটফর্ম ছেড়ে চলে গেছে
যে যার মর্জিমতো –
একটা ছায়া পাক খাচ্ছে চতুর্দিকে
শনশন উড়ছে চৈত্রের হাওয়া, যাবার আগে
আমার সব দিয়ে যাব তোমায়
আমার কানটানা ঝুমকো , বেলোয়ারি চুড়ি
তিনশো ছেষট্টি শাড়ির দেরাজে
তেজপাতা রংয়ের শাড়িটাও – তুমি সাজো
সাজো তুমি |

আমি পৃষ্ঠা জুড়ে তোমার সুখের ছবিটা
আঁকতে চাই ভীষণ রকম |

সম্পূর্ণ

শরীর স্বাস্থ্যে নিঃস্ব হতে হতে ,
উড়াও হেঁয়ালিতে অলীক মনঘুড়ি,
খোঁজো কুহেলিরে বিফল মনোরথে,
সব বোঝেও কেন মনের ঘরে চুরি?সম্পূর্ণ

পাচার একটি চলমান প্রকৃয়া,
দুর্নীতি যেন ঈশ্বর প্রদত্ত ইস্যু?
দুর্গতজন প্রমান করে মরিয়া,
সাধ্য কী, করতে পারেনা কিস্যু

সম্পূর্ণ

কতোদিন চেনা পথিকের
দেখা নেই,
ঝড়াপাতারা শুয়ে থাকে রাতেদিনে।
মৃত্যুদূত ওঁৎ পেতে থাকে পথেই,
মৃত্যুর সংখ্যা শুনতে রাতের বুলেটিনেসম্পূর্ণ