রবের আরশ কাঁপে
বাবা মায়ের নির্দেশ মেনে জীবন গড়ে যারা, জীবন পথে সকল কর্মে বেজায় খুশি তারা। বাবাসম্পূর্ণ
জীবনমুখী কবিতা সমূহ
বাবা মায়ের নির্দেশ মেনে জীবন গড়ে যারা, জীবন পথে সকল কর্মে বেজায় খুশি তারা। বাবাসম্পূর্ণ
সবার জীবনে প্রেম আসে ঠিকই তবে জানিনা আমার জীবনে এসেছিল কিনা। আমার জীবনে তুমি এসেছিলেসম্পূর্ণ
তোমায় এত সুন্দর দেখতে, ইচ্ছা করে তোমায় চুরি করে আমার সঙ্গে রাখি। কিন্তু, আমার যেসম্পূর্ণ
একদিন,
চিঠি পৌঁছানোর জন্য যাকে বাড়তি পাঁচ টাকা দিয়েছিলাম,
সেই হরকরা আজ নিজেই ডাকবাক্স।
পড়ে আছে অযত্নে, অবহেলায়
পাশেই ভাঙাচোরা টিনের খুপরি
ভিতরে মাষ্টার মশাই—
বিঁড়ি ফুঁকছেন..সম্পূর্ণ
কাগজের ফুল কখন জীবিত হয়ে যায়
কেউ জানে না! শুকিয়ে যাওয়া পাতাও জীবন পেতে চাই
হিমের মাঝে শিশির ভেজা প্রহরে।
হতভাগা জীবনে এমনটাই হওয়ার কথা ছিল
সমস্ত জ্বালানী কেমিক্যাল নিয়মে ফুরিয়ে যায়
আমরা উত্তরমেরুতে বিজয়ের পতাকা উড়িয়ে
শূন্যতাকে হৃদয়ে পুষি কৃষকের হাড়ভাঙা শ্রমে
কিলবিল করা পোকার বীজে অঙ্কুরোদগম ঘটিয়ে।
মানুষ মৃত স্বপ্ন মৃত
এই বেঁচে থাকাও মৃত
যেন কাগজের মানুষ নাচালেই নাচি
কাঁদালেই কাঁদি । রাগালে ও রাগি
কাগজের মানুষ দুমড়ে-মুচড়ে দিলেও কোনো যন্ত্রণা থাকে না
পাথরের হৃদয় ভাঙলে ভাঙি না ভাঙলে অক্ষত থাকি।
জীবনটাই তো পাওয়া, না পাওয়ার গল্প অনেক কিছুই পাইনি তবু প্রাপ্তিও নয় স্বল্প, বহু রঙেসম্পূর্ণ
কথা ছিলো কিছু মৃত কিছু জীবিত
তুষারের রঙ পাহাড় সবুজ ঘাস হলুদ পাতা সবই
বর্ষাকালে কোনো নদীর মতো হারিয়ে যেতে দূরে।
চোখ দিয়ে অনেক কিছু দেখা যায় না, দেখতে নেই
মনে নেই সেকথা এখন সব মৃত আর কিছুটা জীবিত।
বিবর্ণ রঙ অচেনা পথ আকাশ জানে কত কিছু
নিভে যাওয়া প্রদীপের আলো বিষাদের সমুদ্রের নোনা স্রোত
আর দাঁতে দাঁত চেপে টিকে থাকার খিদে।সম্পূর্ণ