কপালে লেগেছে দুর্ভিক্ষের দাগ
অনাবিত্তের গ্লানি, জীবনচর্চার ধারালো পথ
সত্ত্বার গভীরে ক্ষুধার অভিশাপ মুছে ফেলার তীব্র প্রতিক্ষা….
সম্মুখে বিশাল শকুনের মাঠ, দুঃস্বপ্নের চরাচর!সম্পূর্ণ
জীবনমুখী কবিতা সমূহ
অনাবিত্তের গ্লানি, জীবনচর্চার ধারালো পথ
সত্ত্বার গভীরে ক্ষুধার অভিশাপ মুছে ফেলার তীব্র প্রতিক্ষা….
সম্মুখে বিশাল শকুনের মাঠ, দুঃস্বপ্নের চরাচর!সম্পূর্ণ
অজস্র রূপান্তরে সকালের রোদ্দুর যেনো বিকেলের নিষ্ঠুর বিভ্রান্তি
অসম বিবর্তনে যদিও আমাদের মেরুদণ্ড বেঁকে
গেছে,
তবুও আমরা কেউকেউ বেঁচে আছি নষ্টদের মুঠোতে, তোয়াজে!সম্পূর্ণ
নব্য ভূস্বামীর সম্মিলিত কোরাসে
বহুবার মরে গেছে আমাদের অজস্র স্বপ্ন!
স্নায়ু টানটান করে বেঁধে নিয়েছি তথাপি
চক্রাকারে বয়ে চলে অভিশাপ……সম্পূর্ণ
আমাদের জীবনের পাণ্ডুলিপিটাও রচিত হচ্ছে অনেকটা ছেড়া মশারীর মতো!
কচুবনে মুখ লুকাতে থাকে আমজনতা, চোখটাও যে বেঁধে রাখতে হয়!
আর আমাদের যারা প্রতিভূ, ওদের হাতের মুঠোয় বিষ।সম্পূর্ণ
ক্রোধ কিংবা কান্না কে উর্ধ্বশ্বাসে দূরে সরিয়ে দিই
আমাদের উঠোনটাও আজ বেজায় নিঃসঙ্গ,
চারিদিকে স্তুপীকৃত জঞ্জালসম্পূর্ণ
একটু খানি—- স্বপ্ন যদি আঁকতে তুমি জানো, একটু খানি চেষ্টা করলে তবে সফল মানো। একটুসম্পূর্ণ
এই দুনিয়ার মায়ায় পড়ে কারে দিলে ফাঁকি, যার ইশারায় চলন -বলন তারে রাখলে বাকী! ডাকসম্পূর্ণ
*ঈশ্বরীর গল্প – অথবা একটি রূপকথার মৃত্যু* ©আজিজুল হক তোমাদের আমি ঘেন্না করি, তোমরা মিথ্যেসম্পূর্ণ
ঘুমন্ত পায়ের ছাপ পেরিয়ে খুঁজে নিচ্ছি সর্বনাম-লাইন হোটেল! আসলে পাপোশ নয় পড়ে আছে …তেলচিট স্মৃতিসম্পূর্ণ
রিত্যাগ লাঞ্ছিত অবমাননা
দীর্ঘ মুহূর্তে হারিয়ে যায় সব রাতের তারা
পথ খুঁজে পায় না যোগ্য অধিকারে।
দোআঁশ মাটির গন্ধ বিষাক্ত সারের তেজ
উপযুক্ত বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে চারিপাশে
মনে হয় নিতান্ত কাল ধরে আমি তাই চেয়েছি
এই পৃথিবীর বিষণ্ণ দুপুরে রোদ আর মেঘের মেলামেশা।
অজস্র রজনীর দ্বার খুলে তিলোত্তমা নগরী ব্যস্ত বিশাল সমুদ্র আকাশ মরু বেদনা
সুশীর্ণ স্মরণে শোক থাকে না
মিথ্যা খেদ মানুষের মনে বিস্তার করে।