দারিদ্রের নাগপাশে আবদ্ধ করি দীনে
বিধাতা ছলিছেন যেন শেষ সম্বল হীনে!
যদিও ফুটিবে দিনের আলো
রাত্রির অবসানে।
কাঁসার বাটির ঝঙ্কার ধ্বনি উঠিবে রণনি
দারিদ্রের অনুরণনে।।
সম্পূর্ণ

বাবা গুলো ছোট হয়ে গেছে
ছেলেগুলো উঠছে ছাপিয়ে
অকাল মৃত্যু জলে ভাসবে জেনেও
কি উদ্বেল ঝাঁপ ! কিছু পরে বিক্রিত পণ্যের মতন
নগর দ্বারে সাজিয়ে সাজিয়ে
কি নিশ্চিত যান্ত্রিক যাপন !
সূক্ষ্ম কাপড় বেয়ে মেপে নেবে দৈন্য সংবেদ
কতটা তাত্ত্বিক, কতখানি উপেক্ষিত
ক’ ফোটা অস্তিত্ব তার পার্থিব স্কেচ হয়ে আছে
বাবারা ভুলেছে
সম্পূর্ণ

আকাশ তেমন উঠল মেতে দুর্বিপাকে
সরাসরি নিভিয়ে দিয়ে সূয্যিটাকে, কি
যে বলে মজলে মনের সন্ধিগুলো —-
গান পাঠালো ডাক পাঠালো
জ্বললো আলো,জুড়ল এসে সন্ধিটাকে !

আকাশ তেমন উঠল মেতে দুর্বিপাকে
সরাসরি নিভিয়ে দিয়ে সূয্যিটাকে, কি
যে বলে মজলে মনের সন্ধিগুলো —-
গান পাঠালো ডাক পাঠালো
জ্বললো আলো,জুড়ল এসে সন্ধিটাকে !

সম্পূর্ণ

আমি শুধু তোমার হতে চাই আমি শুধু তোমার হতে চাই। আমি আকাশ-বাতাস-সাগর-নদী-মেঘ-কুয়াশা-পাহাড়-সবুজ বনানী….. কারও হতেসম্পূর্ণ

জল থেকে তুলে নাও এবার আমায়,শুদ্ধ হব
স্খলিত জলে আর পূজ্যার্ঘ নেই
অজেয় সংক্রমণে এখানেও ঢেকে যায় সূর্যোদয়
মহামারীর ইশারায় নেমে যায় একে সম্পূর্ণ

গরীব

খ্যাঁক খ্যাঁক হাসে, মারপিট ঝগড়ায় মাতে
গাল পারে, কালশিটে মুখ গোগ্রাসে গেলে
যে যা দেয়, যখন তখন, ফিক ফিক হাসে
চিৎকার করে এলেবেলে বেফাঁস কথারা
গুছিয়ে চলে না, সশব্দে খায় মোতে, হাগে
চোখে দাঁতে ছোপ বেপরোয়া উদ্ভট সাজ
দুটি বই সাতখানা জামা নেই মসলিন প্যান্ট
শখের চুরুট নেই ব্র্যান্ড সিগারের রিং উড়াণ
ঢক ঢক ঢোক গেলে রেকাব পানীয়ে উগ্র
কি বিকট আঁওয়াজ ! দশ গ্রাস কি বিশাল
হা ‘ এর গহ্বর, গপ গপ খায় মাথা মুখ
ঝুঁকে থাকে পিরামিড থালে, আজন্ম
খায়নি কিছুই যেন,চামচে কাটার দৈন্য
তিন মন ভূঁড়ি ইস্ দশ টন ট্যাঙ্কিও জানে,

সম্পূর্ণ