পঞ্চাশের গুলতানি
– মল্লিকা রায়
দেখেছি রঙ ধরা রুপোলি সিঁথির দুপাশ
ঢেকেঢুকে
চোখ বুঁজে তাজা সু পুরুষ ফ্রান্সিস ঘ্রাণে
সবটাই জানো অনিকেত, কিছুটা আরও এর পরে
তপ্ত জমিন ক্ষীর নদী মোহনার জোন
জ্বলে পুড়ে লুট হয়ে যাবে,কিছুটা এগোলে আরো —

গুবরে পোকারা চিরকালই বিদঘুটে
কামড়ায় ঘাড়ে কাঁধে , হুল ভেঙে যেন মরে চিরতরে

ছোঁয়াব না তাই বলে নিটোল চিবুক অনিকেত ———-সম্পূর্ণ

ফিরে চলে গেছি , পেছন ফিরলে আর
ছায়াটিরও দেখা পাবে না কোথাও,একটু একটু করে
গুটিয়ে নিয়েছি নিজেকে,
কাব্যে,কবিতায়,কাহিনীর প্রত্যঙ্গে
অনেক অনেক অবহেলা ক্রমে পরিণত করেছে আমায়
মিশে গেছি তৃতীয়ার অতসী গভীরে
কাঁচের স্বর্গে তাই রেখেছি ঠিকানা
খুঁজোনা বেনী দোলা কবেকার সেই ছদ্মবেশ
সেও তার সূচিপত্র নিয়ে ফিরেছে গুটিয়ে
পাথরটি গড়িয়ে আঁধার বুঝি মিশেছে সাগরে , প্রতিরোজ
জন্ম হত জৈবিক উদ্যান তুমি তার জলতরঙ্গ ছিলে
শব্দ তার বৃত্তের বাহার নানান ছলকে
তরঙ্গ চ্ছলে মুখে গালে ছোঁয়াত উচ্ছাস ,সেসবও ভুলেছি
কত রাত ভোর হয়ে গেছে ক্ষয়ে ক্ষয়ে
হতাশ রাত্রিরা, টুপ টাপ শব্দে শুধু নীরব পতন।
সেই শব্দ শুনি আমি নিরেট প্রাণের
নিথর পাখীর মত নিষাদের ব্যার্থ অহংকার !
ও কি সম্পত্তি চেয়েছিল ?
অর্থ কি পেরেছে কেড়ে নিতে , একটুক প্রেম শুধু
ন্যুনতম ভাষা ছোট্ট হৃদয়ে নিরিবিলি খুব
চেয়েছিল জানাতে শুধুই,সঙ্গী ছিল না তাই সহসা একাই
আর্তনাদে চৌচির হৃদয়, পাখীটা বোঝে নি
কি মারাত্নক লোকাচার পাষন্ড ঘাতক, মৃত্যু তাকে
ডেকে নিয়ে গেল,
শার্শিতে ঝরবেনা জল

সম্পূর্ণ

একা কেন ! জড়াও নি বুঝি
দাপটের পরাক্রান্ত জাল,এস ধর হাত
পুড়ে ছাই ধিকিধিকি জ্বলন্ত অধ্যায়
তবুও সকাল হোক,পরিচ্ছন্ন রোদ
নির্বিবাদ প্রদীপ ভাসিয়ে শান্তি এনে দেব
টুকটুক নোলক শাড়িতে
থেমে যাবে ঝড়,দেখো ঠিক একত্রিত হলে |সম্পূর্ণ

সৈকতের যুবতি, খোলা চুলে প্রেয়সী
যার চুলে লেগে আছে স্বয়ং সমুদ্রের পানি
বালুকণা রোদে চমকায় দুপুরে
যার প্লেটের অর্ধেক ভাত খায় কুকুরেসম্পূর্ণ

সহস্রাব্দের ঢেউ নিয়ে উথাল পাতাল গন্তব্য
নেই কোন উপস্থাপক নল, বিষন্ন কালে
নাকে মুখে গুঁজে দেবার মত , আব্বুলিশ !
আমি এই খেলায় কোন সরঞ্জাম হতে পারব না
পারব না দিগযন্ত্র হয়ে মোরগের পিছু পিছু
গোলমেলে বৃষ্টি রিপোর্ট দিতে, তার চেয়ে
একফোটা নাভি দাও পরমায়ু রাখি, ঠেলে উঠলে টেথেসকোপসম্পূর্ণ