আমার দুর্গা
তোমার দুর্গার পূজা দাও
ঢাক-ঢোল, খোল করতাল, সুগন্ধি আগরবাতিতে;
আমার দুর্গার পূজা হয়
রেলের হুইসেল,যানবাহনের হর্ণ আর নর্দমার গন্ধে।
তোমার দুর্গার বিসর্জন হয় হৃদয় ধারণে
আমরা দুর্গা হারিয়ে যায় বিনা বিসর্জনে।সম্পূর্ণ
জীবনমুখী কবিতা সমূহ
তোমার দুর্গার পূজা দাও
ঢাক-ঢোল, খোল করতাল, সুগন্ধি আগরবাতিতে;
আমার দুর্গার পূজা হয়
রেলের হুইসেল,যানবাহনের হর্ণ আর নর্দমার গন্ধে।
তোমার দুর্গার বিসর্জন হয় হৃদয় ধারণে
আমরা দুর্গা হারিয়ে যায় বিনা বিসর্জনে।সম্পূর্ণ
আমার শহরের থেকে আমার শহরের মেঘ
তোমার শহরে উড়ে যায়
তুমি কি তাকিয়ে দেখেছ?
আকাশে কী মেঘ করেছে ঢাকায়! সম্পূর্ণ
আজীবন আমি জ্বলছি বলে
কিছু লিখতে শিখলাম
অনেক কিছু যা বলার নয়
অজস্র জন্ম ধরে আমি পথ হাঁটছি পৃথিবীর পথে।
দিন চলে রাত্রি আসে
বকুল ফুল ঝরে পড়ে গাছের নীচে
তুমি মালা গাঁথবে বলে আজ রাতে সেই ফুল
গোপনে কুড়িয়ে নিয়ে যাবে বসন্তের হলুদ রঙের মেলার মালা উপহার দেবে বলে।
তবুও তুমি আসলে না আমি আর পথ খুঁজলাম না
হারিয়ে গেলাম শহরের দেওয়ালে স্মৃতির চোখ লেপ্টে।।সম্পূর্ণ
আমি বুকের মাঝে সাহস পাই
যখন দেখি তরুণ প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধকে বুকে ধারণ করে
আমার মা’কে সযত্নে বুকে আগলে রাখে।সম্পূর্ণ
পাইয়া হারাইবার মতো কষ্ট বোধহয় আর কিছুতেই নাই। যিনি জন্ম হইতে অন্ধ এবং যিনি জন্মের কয়েকবছর বাদে অন্ধ হইয়াছেন তাহাদের পার্থক্য বহুদূর। জন্মান্ধরা কখনো স্বপ্ন দেখেন না অন্যদিকে যাহারা পরে অন্ধ হইয়াছেন তাহারা স্বাভাবিকের মতোই স্বপ্ন দেখেন এবং চোখের জ্যোতি ফিরিয়া পাইতে মূক হইয়া থাকেন।সম্পূর্ণ
বাঁচার জন্যে একটা চুক্তি না হলে নয়,
এমনিতে তো সঙ্গ দেবার সঙ্গীবিহীন যাত্রাপথে,
দিক ভুলিয়ে আস্তাকুঁড়ে পড়ছি এসে,
ব্যর্থদের এই তালিকাতে সবেমাত্র অধিভুক্তি৷
একটা চুক্তি না হলে নয়। । শান্তিচুক্তি।সম্পূর্ণ
তোমাকে যখন খুব করে চেয়েছিলাম
তুমি, আমার ডাকে সাড়া দাও নি।
তোমার জন্য যখন পাগল ছিলাম
নিছক পাগলামি ভেবে একবারও খেয়াল কর নি।সম্পূর্ণ
মন আমার ভীষণ আর্দ্র
চোখের মেঘ দিয়ে বৃষ্টি ঝড়ে
দুঃখ আমার বারো মাস
ওত পেতে বসে।
দেখা হওয়া এখনো অনেক বাকি
এটাই যদি হয় কখনো প্রিয়
তবে দিনের শেষে আমায় তুমি
একটু খানিও আপন করে নিও।সম্পূর্ণ